मंगलवार, 16 सितंबर 2014

জামানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বাম সংসদীয় সংশোধনবাদী আত্মঘাতী বাম রাজনীতির। বাংলার বাইপোল- তৃণমূল (১) বিজেপি (১) - জোর লড়াইয়ের পর বসিরহাট দক্ষিণে জিতে বিধানসভায় খাতা খুলল বিজেপি, চৌরঙ্গি ধরে রাখল তৃণমূল- बंगाल के केसरियाकरण से भारत में प्रतिरोध का आखिरी किला भी ध्वस्त नंदीग्राम सिंगुर भूमि आंदोलन समर्थक भद्र बंगीय समाज और तथाकथित सुशील समाज का केसरिया कायाकल्प हो रहा है। सितारे पहले तृणमूली आकाश में चमके और चमकते चमकते काजल की कोठरियों में तब्दील होते रहे और जेल की कोठरियों में स्थानांतरित होने को हैं। बाकी बचे सितारे और आइकन केसरिया होने को बेताब है। এক্সকেলিবার স্টিভেন্স বিশ্বাস

জামানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বাম সংসদীয় সংশোধনবাদী আত্মঘাতী বাম রাজনীতির।

বাংলার বাইপোল- তৃণমূল (১) বিজেপি (১) - জোর লড়াইয়ের পর বসিরহাট দক্ষিণে জিতে বিধানসভায় খাতা খুলল বিজেপি, চৌরঙ্গি ধরে রাখল তৃণমূল-


बंगाल के केसरियाकरण से भारत में प्रतिरोध का आखिरी किला भी ध्वस्त
नंदीग्राम सिंगुर भूमि आंदोलन समर्थक भद्र बंगीय समाज और तथाकथित सुशील समाज का केसरिया कायाकल्प हो रहा है।

सितारे पहले तृणमूली आकाश में चमके और चमकते चमकते काजल की कोठरियों में तब्दील होते रहे और जेल की कोठरियों में स्थानांतरित होने को हैं।

बाकी बचे सितारे और आइकन केसरिया होने को बेताब है।

এক্সকেলিবার স্টিভেন্স বিশ্বাস
জামানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বাম সংসদীয় সংশোধনবাদী আত্মঘাতী বাম রাজনীতির।
সারা দেশে পদ্ম সুনামি এখন বদ্ধ পুকুর।প্রশ্নের মুখে সাহী রাজকার্য্য গাজাগো লাভ বলয়ে অথচ সূর্যোদয়ের বৌদ্ধময় ঐতিহ্যের অনার্য বাংলায় এই প্রথম আর্য আর্যবর্ত আধিপাত্যের সুচনা,সধন্যবাদ বাংলার বিপ্লবী বাম রাজনীতি,যার অস্তিত্বও সারদা বিপ্লব সত্বেও খতম বললে ও কিছুই বলা হয় না,চৌরুঙ্গীতে জামানত বাজেয়াপ্ত বললে স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবত বাম মতাদ্র্সের নামে জনগণের বিশ্বাসঘাতকতার সদ্গতি দর্শন হচ্ছে।
তবু আত্ম সমালোচনা নয়।
তবু সেনাপতি বদল নয়।
তবু মেহনিতী মানুষের সাথে মেহনতী মানুষের মাথায়,কিন্তু মেহনতী মানুষের নেতৃত্বকে মর্যাদা দেওয়ার কমরেড সুলভ শুভবুদ্ধি নেই।
বামেদের কারণ বিকল্পহীনতার এই অভূতপূর্ব সঙ্কটে সারদায় নিমজ্জিত মা মাটি মানুষের সরকার বিসর্জনের দুর্গাপুজায় বাংলায় শোষ পর্যন্ত প্রাচীন অসুর অনার্য  বৌদ্ধ মধ্যইসলামি ও ঔপনিবেশিক ইতিহাস পেরিয়ে কৃষক আন্দোলনের আদিবাসী বিদ্রোহ ভূমি সংস্কার জাতি উন্মুলনের মতুয়া বিদ্রোহ  বিপ্লবী মুক্তধারা পেরিয়ে অন্ধ ধর্মোন্মাদী  হিন্দু রাষ্ট্রের জয়পতাকা যা ভারত বিভাজনের রক্তপাতে উদ্বাস্তু প্লাবনেও খখনো সম্ভব হয়নি।সমাজের সব শ্রেণী,সমস্ত পর্যায়ের মানুষকে স্বীকার না করার,নেতৃত্বের হিমালয়ী ভুল বারম্বার বারম্বার,বিশ্বাস ভহহ্গ বারম্বার বারম্বার,বিসর্জনের বাজনা বেঝেই গেল ,মহিষাসুর মর্দিনীর মহাতান্ডবের আগেই মহালয়ের আগেই শেষপর্যন্ত বধ হল বামাসুর হিন্দুত্বেরই ত্রিশুলে এই বাত্য অন্ত্যজ অসুরভূমিতে।সেতারা ধরে সেতার ছেড়ে ষাঁড় সংসকৃতির বাক্স নিভৃতে মাথা একাকার সংসকৃতির ধর্ষণ মহারাজসূয়ে বাংলার শারদোত্সব শুরু হয়ে গেল।
বাংলার কাগজ এখন হয় পান্চজন্য না হয় সামনা।

সবজান্তারা সব গৌরিক,ভদ্র কুলীন সভ্যঅসভ্য সবই গৌরিক আজি সখী,চন্ডালিনী নৃত্যের পরিণতি বৈদিকী সভ্যতায় সিন্ধুবিলয়।
বুদ্ধম শরণম্ গচ্ছামি নৈব নেব চ
বঙ্গ আজ মুদিখানা মুক্তাবাজার
দেহমুক্তি কারোবার
জাপানি তেল
দেবি বিসর্জনে যাক না যাক
বাম বিসর্যন সাঙ্গ হল আজ।
ঔম শান্তি
স্বাহা স্বাহা স্বাহা
বোল হরিবোল।
New Delhi, Sep 16 CPI today said BJP's attempts to "polarise the people on communal lines" have been rejected by the people in the Assembly bypolls in four states.
"People have rejected the attempts of BJP to polarise the people on communal lines and the (bypoll) results are a clear blow to rabid communal politics," CPI National Secretary D Raja said here.
Responding to the poll results, he said the trend shown in the earlier Uttarakhand Assembly elections just after the Lok Sabha polls, where too BJP was defeated, "appears to be continuing".
He said BJP "tried hard to polarise the people in Uttar Pradesh but they gave a poor show despite such efforts".
Referring to the results and trends in BJP-ruled states of Rajasthan and Gujarat, Raja said BJP "cannot take the people for granted as they have rejected their politics of polarisation".
In West Bengal where BJP made a debut on its own winning a lone seat, the CPI leader said the development was "worrisome for the Left parties which should do some introspection".

রাজ্যে নৈরাজ্যের পরিস্থিতির

বদল ঘটাতে হবে: গৌতম দেব

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১৫ই সেপ্টেম্বর— মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের মানুষকে এ কোন্‌ ধরনের সংস্কৃতির শিক্ষা দিচ্ছেন? লুঠপাট, দুর্নীতি, শিক্ষায় অরাজকতা, নৈরাজ্য সবকিছু একসঙ্গে চলছে গত ৩৪ মাস ধরে। এসব কিছুই পালটাতে হবে। এবার মানুষই এদের সরিয়ে দেবেন। বি জে পি -রও কোনো ভবিষ্যৎ নেই এই রাজ্যে। সোমবার এস এফ আই-এর দাবি দিবসে এক আলোচনাচক্রে সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও এস এফ আই-এর প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক গৌতম দেব একথা বলেন।

এদিন মৌলালি যুবকেন্দ্রে এস এফ আই-এর ডাকে দাবি দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভার আয়োজন হয়। 'পরিবর্তনের সংস্কৃতি ও সংস্কৃতির পরিবর্তন' শীর্ষক এই আলোচনায় গৌতম দেব ছাড়াও বক্তব্য রাখেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য পবিত্র সরকার, ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত ব্যানার্জি। আলোচনার শুরুতে প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা ও কৃষক আন্দোলনের নেতা প্রয়াত বিনয় কোঙারকে স্মরণ করে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন এস এফ আই রাজ্য সভানেত্রী মধুজা সেনরায়। সংগঠনের প্রাক্তন নেতা সাইফুদ্দিন চৌধুরীর স্মরণে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন এস এফ আই রাজ্য সম্পাদক দেবজ্যোতি দাস।

গৌতম দেব এদিন বলেন, সমাজ পরিবর্তনের জন্য ছাত্রদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আজ কলেজে কলেজে অশান্তি। ছাত্র নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই অস্থির। তাঁর প্রায় সবই তো ভাঁওতা। বামফ্রন্ট ৩৪ বছর রাজ্য চালিয়েছে। আর ওই দল ৩৪ মাসেই লেজে গোবরে হয়ে পড়েছে। আকণ্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছে। সারদাকাণ্ড কী প্রমাণ করলো? বামফ্রন্ট সরকার থাকার সময়ে কত পরিকল্পনা করা হলো। জিন্দালদের ৩০ হাজার কোটি টাকার কারখানা, শ্যাম স্টিলের সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার কারখানা-সবই শেষ। ভিডিওকন, ইনফোসিস, উইপ্রোর গতিরোধ। আর একটা বাইপাস রাস্তা, কাটোয়া তাপবিদ্যুৎ, ডায়মন্ডহারবার, হলদিয়া, কলকাতা ব্রিজ, বারাকপুর দক্ষিণেশ্বর মেট্রো, নিউটাউন, কত পরিকল্পনা ছিল— এগুলি করুক এই সরকার। আমরা পাশে আছি। বিরোধীদের সঙ্গে তো কথাই বলে না এই দল। একদিকে যখন এই, তখন অন্যদিকে রয়েছে দাঙ্গাবাজ পার্টি বি জে পি। মুসলিমরা নাকি এদেশের লোক নয়। এত ভাগ করে সমাজকে আরো জটিল করছে ওই দল। তাই আমাদের আন্দোলনের পথ আমাদের ঠিক করে নিতে হবে।

ছাত্রদের নিজস্ব দাবি দাওয়া আদায়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে অন্যান্য প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্যায়ের বিরোধিতায় আন্দোলন করা উচিত বলে এদিন মন্তব্য করেন অধ্যাপক পবিত্র সরকার। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বিপন্ন হয়ে পড়ছে সংস্কৃতি। ছাত্রভর্তি থেকে চাকরি সবেতেই তোলাবাজি, পেশিশক্তি, শাসকদলের পক্ষপাতিত্ব চলছে। সারদার টাকা দিয়ে নির্বাচনে জিতেছে। কিন্তু এখন ফাঁদে পড়েছে সরকার। এই হলো উপযুক্ত সময়। এখনই আন্দোলন জোরদার করতে হবে।

ঋতব্রত ব্যনার্জি বলেন, পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ। সারদাকাণ্ডে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কত মানুষ আত্মহত্যা করলেন। দেশের বাইরেও গিয়েছে সারদার টাকা। রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদদের মুখে কালি পড়েছে। রাজ্যে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। তৃণমূলের ঠ্যাঙারে বাহিনী সব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তথাকথিত মোমবাতি বুদ্ধিজীবীরা এখন নিশ্চুপ। এটা কোন সংস্কৃতি? এর জন্যে চাই লড়াই। চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ। শান দিতে হবে চেতনায়। আন্দোলনে জেরবার করে দিতে হবে রাজপথ। এস এফ আই রাজ্য সভানেত্রী মধুজা সেনরায় ও সম্পাদক দেবজ্যোতি দাস বলেন, সকলের জন্য শিক্ষা ও কাজের দাবি নিয়ে এক সময়ে পথে নেমেছিল এস এফ আই। আজ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রী শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ, ভর্তির সময়ে তোলাবাজি- সবকিছুর বিরুদ্ধেই আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। যে কোনো দুর্নীতির বিরুদ্ধেই রাস্তায় নেমে সোচ্চার হবে এস এফ আই। এবার আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে রক্ষা করতেও শুরু হবে এক দীর্ঘ আন্দোলন।

এই বছর থেকে শুরু হলো প্রয়াত ছাত্রনেতা সুদীপ্ত গুপ্ত স্মৃতি পুরস্কার প্রদান কর্মসূচী। মোট চারজন এই পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপকরা হলেন মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্র অর্ণব মল্লিক ও ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম বীথি মণ্ডল এবং উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্র অনির্বাণ সাহা ও ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম দেবপ্রিয়া গুণ।

এয়ার ইন্ডিয়া, বি এস এন এলসহ দশ

সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিনিধি

নয়াদিল্লি, ১৬ই সেপ্টেম্বর— এয়ার ইন্ডিয়া, বি এস এন এল-সহ দশটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্র। দেরি না করে মঙ্গলবারই শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে এনিয়ে বৈঠক করেছেন মন্ত্রিসভার সচিব অজিত শেঠ। সবচেয়ে বেশি লোকসানে চলা দশটি সংস্থাকে নিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক এন্টারপ্রাইজ যে নোট তৈরি করেছে, বৈঠকে তা নিয়ে সবিস্তার আলোচনা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে রয়েছে প্রায় ২৬০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। এছাড়াও রাজ্য সরকারগুলির অধীনে রয়েছে হাজারো সংস্থা, যারা তৈরি করে থাকে বিভিন্ন ধরনের ভোগ্যপণ্য। এরমধ্যে ও এন জি সি, সেইলের মতো কয়েকটি সংস্থা সাফল্যের সঙ্গে চললেও, বি এস এন এল, এম টি এন এল, এয়ার ইন্ডিয়া, হিন্দুস্থান ফটোফিল্মস, হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজারস কর্পোরেশনের মতো বেশকিছু সংস্থা টিকে শুধু বাজেট সহায়তার উপর। ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক এন্টারপ্রাইজ যে নোট তৈরি করেছে, তাতে রয়েছে এমনই দশটি রুগ্‌ণ সংস্থার তালিকা। সংবাদ সংস্থা একথা জানিয়ে বলেছে, গত বছর তাদের সম্মিলিত লোকসানের পরিমাণ ছিল ২৪,৫০০কোটি টাকা।

কেন্দ্রের এই তৎপরতার তীব্র নিন্দা করেছেন সি আই টি ইউ-র সাধারণ সম্পাদক তপন সেন। এদিন তিনি বলেন, রুগ্‌ণতার জন্য দায়ী কে? দায়ী কেন্দ্র। যখন পুঁজির দরকার ছিল, তখন পুঁজির জোগান দেয়নি। নিশ্চিত রুগ্‌ণতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সংস্থাগুলিকে চাঙ্গা করার জন্য ট্রেড ইউনিয়নগুলির তরফে পুনরুজ্জীবন প্যাকেজ দেওয়া হয়। একবার নয়, একাধিকবার। কেন্দ্র গ্রহণ করেনি। এরপরেও যদি কেন্দ্র একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়, তবে হবে বড় ধরনের প্রতিরোধ।

কেন্দ্রের তৎপরতার তীব্র নিন্দা করেছেন বি এস এন এল-র ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলির ফোরামের আহ্বায়ক ভি এ এন নাম্বুদিরি। বি এস এন এল যথেষ্টই মুনফা করেছে, প্রথম ৮-৯বছরে মিলিত মুনাফার পরিমাণ ছিল ৪৫,০০০কোটি টাকা। মোবাইল সরঞ্জামের টেন্ডারগুলি সরকার বাতিল করার পর থেকেই শুরু হয় লোকসান। পরিষেবার উন্নয়নের জন্য ফোরাম একাধিক প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সরকার উড়িয়ে দেয়। তবু গত দু'বছরে লোকসানের বহর কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এবং এখনও উন্নতির যথেষ্ট অবকাশ আছে। অন্যদিকে, গত মে মাসে রিলায়েন্স 'গ্যাস চুরি করছে' বলে অভিযোগ জানিয়েছে ও এন জি সি। রিলায়েন্সের সঙ্গে চুক্তির পর এক বছরেরও কম সময়ে ৩০,০০০কোটি লোকসান হয়েছে বলে সংস্থা দাবি করেছে। আদালতে গিয়েছে। কৃষ্ণা গোদাবরী-ডি ৬ ব্লক থেকে রিলায়েন্স গ্যাস চুরি করা নিয়ে উদ্বিগ্ন ও এন জি সি।

'দেশের সময়-প্রহরী' এইচ এম টি-র 'ডেথ সার্টিফিকেট' লেখা হয়ে গিয়েছে গত সপ্তাহেই। ২০০০সাল থেকেই সংস্থা লোকসানে চলছে। ২০১২-'১৩আর্থিক বছরে লোকসানের পরিমাণ ছিল ২৪২কোটি টাকা। মার্চের শেষে ঋণের অঙ্ক দাঁড়ায় ৬৯৪কোটি ৫২লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, ১৯৯৬সালে হিন্দুস্থান ফটোফিল্মসকে রুগ্‌ণ ঘোষণা করে বি আই এফ আর। 'গুটিয়ে দেওয়া ছাড়া এই সংস্থাগুলির কোনও ভবিষ্যৎ নেই' বলে জানিয়েছেন ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক এন্টারপ্রাইজের কর্তা।

বি এস এন এল-র এই মুহূর্তে কর্মীসংখ্যা ২লক্ষ ৫০হাজার। নাম্বুদিরি জানিয়েছেন, তাঁরা যেমন সংস্থার পরিষেবার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তেমনই সংস্থার গুটিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ রুখতে শেষপর্যন্ত লড়াইয়ে সংকল্পবদ্ধ। তিনি বলেছেন, রেলের পর বি এস এন এল/ এম টি এন এল-র হাতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি জমি। কেবল, টাওয়ার, ভবনসহ এত বিরাট পরিকাঠামো নেই অন্য কোনও বেসরকারী টেলিকম সংস্থার হাতে। বেসরকারী সংস্থাগুলি এই পরিকাঠামো ব্যবহারের জন্য সরকারের উপর চাপ দিয়ে চলেছে। সরকারের এই পদক্ষেপ তাদেরকে উৎসাহিত করবে। এতে বিপন্ন হবে দেশের নিরাপত্তা।

'হ্যালো আইওয়া, আমি ফিরে এসেছি।' সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন রবিবার আইওয়া অঙ্গরাজ্যে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন। ছয় বছর আগে এখানেই তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করেন। অবশ্য শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হননি। ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস।
২০১৬ সালে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা চললেও এই প্রথম হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তাভাবনা করছি।' ইন্ডিয়ানোলা শহরে রবিবার অনুষ্ঠিত ৩৭তম হারকিন স্টেক ফ্রাই তহবিল সংগ্রহে যোগ দেন হিলারি ও তার স্বামী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। বিদায়ী সিনেটর টম হারকিন অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানের শেষ ১৫ মিনিট ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। হিলারি এ সময় কিছু প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন অনেক প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে যান। ২০০৮ সালের ৩ জানুয়ারি হিলারি এখানে সে বছর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন। এরপর গত ছয় বছরে তিনি আর ওই অঙ্গরাজ্য সফর করেননি।
মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন রাজনীতির অঙ্গন আবার সরগরম হয়ে উঠছে। তবে আইওয়ায় হিলারির এই অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে সবার কৌতূহল আসলে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকেই ছিল। অনুষ্ঠানে হাইতির ভূমিকম্প থেকে শুরু করে ক্লিনটন দম্পতির মেয়ের অনাগত সন্তান পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন হিলারি। বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদের সময় হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেয়ার পর এই প্রথম রাজনৈতিক বক্তব্য রাখলেন হিলারি। তিনি এতদিন বক্তৃতা ও স্মৃতিকথা লেখার কাজ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ডেমোক্র্যাটিক দলীয় প্রায় ১০ হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। হিলারি বলেন যে, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি নিয়েও চিন্তাভাবনা করছেন। তিনি জোর দিয়েই বলেন যে, আইওয়ায় ফিরতে পেরে তিনি আনন্দিত। যদিও এই অঙ্গরাজ্যকে ঘিরে সাবেক মার্কিন ফার্স্ট কাপল ও ডেমোক্র্যাটিক দলীয় সমর্থকদের অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০৮ সালের ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দলের প্রথম নির্বাচনী ককাসে হিলারি তিনজনের মধ্যে তৃতীয় হন। প্রথম ও দ্বিতীয় হন যথাক্রমে তৎকালীন ইলিনয়ের সিনেটর বারাক ওবামা ও নর্থ ক্যারোলাইনার সাবেক সিনেটর জন এডওয়ার্ডস। এর আগে ২০০৭ সালে হারকিন স্টেক ফ্রাই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হিলারি নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন। ওই দিনের পর হিলারি আর এখানে আসেননি। হিলারি বলেন, 'মনে হয় যেন গতকালই এখানে এসেছিলাম। আমার মনে আছে ইলিনয়ের এক তরুণ সিনেটর আমাদের সঙ্গে ছিলেন।' চুলার ওপর রান্না হতে থাকা বিফ স্টেক থেকে বিল, হিলারি ও হারকিন মাত্র কয়েক ফুট দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনকে তাঁর মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি হিলারির কাঁধের ওপর তাঁর একটি বাহু রেখে বলেন, 'বিয়ের পর থেকে আমরা সুখে আছি।'
রাকের রাজধানী বাগদাদের কাছে জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) অবস্থান লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার মুখে থাকা ইরাকী সেনাদের সমর্থন দিতেই আইসিসের ওপর হামলা চালালো দেশটি। এই জঙ্গী সংগঠনটির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য ইরাককে সমর্থন করতে সোমবার বিশ্বের কূটনীতিকরা আহ্বান জানান। খবর এএফপি ও বিবিসি অনলাইনের।
যুক্তরাষ্ট্র এর আগে ইরাকের উত্তরাঞ্চলে আইসিস জঙ্গীদের অবস্থান লক্ষ্য করে গত মাসের প্রথমদিকে হামলা চালিয়েছিল। তবে সোমবারের ঘোষণায় বলা হয়, রাজধানী বাগদাদের কাছে জিহাদীদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আইসিসের বিরুদ্ধে সিরিয়ায় বিমান হামলা ও ইরাকে হামলা আরও ব্যাপকতর করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী এই হামলা চালানো হলো। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরাকে আইসিসের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও সিনজারের কাছে ইরাকী নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় রবি ও সোমবার দুইবার হামলা চালানো হয়। প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের নিজেদের লোকদের রক্ষার ব্যাপক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এবং মানবিক উদ্দেশ্যে বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা চালানো হলো।

স্মার্টছড়ি
স্মার্টঘড়ি বা স্মার্টফোন যদি হতে পারে তাহলে স্মার্ট ছড়ি হবে না কেন? অন্ধদের সাহায্যের জন্য স্মার্ট ছড়ি বের করল ভারত। দিল্লীর একদল গবেষক দৃষ্টিহীনদের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি স্মার্টছড়ি তৈরি করেছে। তাদের তৈরি এই ছড়িটি ভাইব্রেশন বা কম্পনের মাধ্যমে পথ চলতে সাহায্য করবে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের। চলার পথে ছড়িটিতে কম্পন সৃষ্টির মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দেবে। ৫০ ডলার বা চার হাজার টাকায় পাওয়া যাবে ছড়িটি। স্মার্টছড়িটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহে বসবাসকারী দৃষ্টিহীনদের জন্য আশার সঞ্চার করবে। দিল্লীর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এ্যাসিসটিভ টেকনোলজি গ্রুপ (এ্যাসিসটেক) এই ছড়িটি আবিষ্কার করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বের আনুমানিক ২৮ কোটি ৫০ লাখ লোক দৃষ্টিশক্তিহীন। তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বাস করে আর ভারতে অন্ধের সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ। সূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।
যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইসরাইলের সামরিক বাজেট বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। গাজা যুদ্ধে ইসরাইলের লজ্জাকর পরাজয়ের পর এ বাজেট বাড়ানোর আহ্বান জানালেন তিনি। এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, সামরিক বাজেট বাড়ানোর জন্য ইসরাইলকে কয়েক শ' কোটি শেকেল (ইসরাইলি মুদ্রা) ব্যয় করতে হবে। খবর ওয়েবসাইটের
গাজা যুদ্ধের ব্যয় তিন থেকে চার শ' কোটি ডলারে গিয়ে ঠেকেছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। ইসরাইল বলেছে, অবরুদ্ধ গাজায় ৫০ দিনের বোমা হামলায় ২৫০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করতে হয়েছে। ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী মোশে ইয়ালন গত ২ সেপ্টেম্বর স্বীকার করেন, গাজা যুদ্ধে তেল আবিবকে ৯০০ কোটি শেকেল ব্যয় করতে হয়েছে। তেল আবিব গাজা যুদ্ধে ৭২ জন সেনার নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে কিন্তু এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

ইউক্রেনে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করল ইসরাইল
রাশিয়া ক্ষুব্ধ হতে পারে এই আশংকায় গোলযোগপূর্ণ ইউক্রেনে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে ইসরাইল। ইসরাইলের চ্যানেল-টু টেলিভিশন এ খবর দিয়েছে। খবর সিটিভি
চ্যানলটির খবরে বলা হয়েছে- ইউক্রেনের কাছে ড্রোনসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র বিক্রির কথা ছিল এবং এ বিষয়ে কথা পাকাপাকি করতে ইউক্রেনের একটি প্রতিনিধি দল ইসরাইল সফরও করেছে। এসব অস্ত্র রুশপন্থী গেরিলাদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল। তবে কবে ওই প্রতিনিধি দল ইসরাইল সফর করেছে এবং কখন ইসরাইল ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে তা বলেনি চ্যানেল-টু।

সারদা কাণ্ডে  বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণের মধ্যে  চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট রীতিমতো প্রেস্টিজ ইস্যু ছিল তৃণমূলের কাছে।  লোকসভার ফলের নিরিখে চতুর্মুখী ভোট যুদ্ধে কংগ্রেসের থেকে ১৫০০ ভোটে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল।  মঙ্গলবার উপনির্বাচনের ফলাফল অবশ্য উল্টে দিল সেই  হিসাব।  
তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট  ৩৮ হাজার ৩২৮।
বিজেপি পেয়েছে ২৩ হাজার ৯৮৪টি ভোট।
কংগ্রেসের সন্তোষ পাঠক পেয়েছেন ২৩ হাজার ৩১৭টি ভোট।
বামেরা পেয়েছে ৮ হাজার ৮৯০টি ভোট।
জামানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বাম প্রার্থী  ফৈয়াজ আহমেদ খানের।
এগারোটির মধ্যে ছয়টি ওয়ার্ডে  লিড পেয়েছেন তৃণমূলের নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়  শুধুমাত্র ৪৫ ও ৪৬ ওয়ার্ডে  এগিয়ে থেকে শেষ করেছেন কংগ্রেসের সন্তোষ পাঠক এর মধ্যে রেয়েছে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট , ডালহৌসি , নিউমার্কেট এলাকা।
৪৭ , ৫৫ এবং ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে অন্যদের টপকেছেন বিজেপির রীতেশ তিওয়ারি। ওয়েলিংটন, লেবুতলা অঞ্চলে ভাল ফল করেছে বিজেপি।
তবে দিনের শেষে বিজেপির সঙ্গে  তৃণমূলের ভোট ব্যবধান ১৪ হাজার ৩৪৪।
মঙ্গলবারের গণনার পর এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে শেষ করেছে কংগ্রেস। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। দলের এই পারফরম্যান্সে খুশি বিজেপি নেতৃত্ব
মোদী ঝড় আটকানোর চ্যালেঞ্জ তো ছিলই , তার উপরে সারদা ইস্যুতে  বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণও এই ভোটে তৃণমূলের মাথাব্যথার  কারণ ছিল।  তবে জয়ের পরে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কোনওভাবেই   বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসের দিক থেকে মানুষের মন ঘোরাতে পারেনি।
প্রেস্টিজ ফাইটে জিতলেও বিজেপির পদ্ম কাঁটা চিন্তায় রাখছে, মানছেন তৃণমূল নেতৃত্বও।

মাত্র চার মাসেই উধাও মোদিম্যাজিক। ভারতের ১০টি রাজ্যের ৩৩টি বিধানসভা ও তিনটি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয় মঙ্গলবার। ফলাফল দেখে এটাই স্পষ্ট, লোকসভা নির্বাচনের পর চার মাস যেতে না যেতেই দেশবাসীর মোদিমোহ কেটে গেছে। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনের।
উত্তরপ্রদেশে মোদিঝড় থামিয়ে দিলেন মুলায়ম সিং যাদব। সেখানে সমাজবাদী পার্টির (সপা) কাছে পুরোপুরি ধরাশায়ী বিজেপি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের রাজ্য গুজরাটেও কংগ্রেসের সঙ্গে রীতিমতো লড়াই করে জিততে হলো বিজেপিকে। বিধানসভার মোট ৩৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৩টি, সমাজবাদী পার্টি (সপা) আটটি, কংগ্রেস ছয়টি ও অন্যান্য দল ছয়টি আসনে এগিয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গে দুটি বিধানসভা আসনের মধ্যে একটি জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যটিতে খুব সামান্য ভোটে জিতেছে বিজেপি। তিন রাজ্যে বড় ধাক্কা খেল বিজেপি, মোদিদুর্গেও চিড় ধরালো কংগ্রেস। সকাল আটটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভদোদরা, উত্তরপ্রদেশে সপা সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদবের মইনপুরী ও তেলেঙ্গানারা মেডক লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে ১১টি, গুজরাটে নয়টি, রাজস্থানে চারটি, পশ্চিমবঙ্গে দুটি, অসমে তিনটি ও ত্রিপুরা, সিকিম, ছত্তিশগড় ও অন্ধপ্রদেশে একটি করে বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে লোকসভা ভোটের আগে দেশজুড়ে মোদিঝড়ের দাপট এখন অনেকটাই নিস্তেজ। উত্তরপ্রদেশের ১১ আসনের মধ্যে সপা পেয়েছে আটটি আর বিজেপি তিনটি। লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে ঐতিহাসিক জয়ের চার মাসের মধ্যে বিধানসভা উপনির্বাচনে ধাক্কা খেল বিজেপি। অথচ লোকসভা নির্বাচনে এই ১১টি আসনের মধ্যে ১০টির ভৌগোলিক সীমানার ভোটারদের মধ্যে এগিয়ে ছিল মোদির দল। দারুণ ফল করল চাপে থাকা শাসক দল সমাজবাদী পার্টি। বিজেপির সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এর মিত্র আপনা দলের রোহানিয়া আসনটি হারানো। এ আসনের ভৌগোলিক এলাকা প্রধানমন্ত্রী মোদির লোকসভা নির্বাচনী এলাকা বারানসীর অন্তর্গত। গুজরাটের ৯টি আসনের মধ্যে বিজেপি সাতটি পেয়ে জয়ী হলো। দু'টিতে জিতল কংগ্রেস। চার মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সব লোকসভা আসনে জেতার পর, বিধানসভা নির্বাচনে কিছুটা ধাক্কা খেল বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে ২৫টির মধ্যে ২৫টি আসনেই রাজস্থানে জিতেছিল বিজেপি। চার মাসের মধ্যে গেরুয়া ঝড় ম্লান হয়ে গেল। রাজস্থানে বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি। রাজ্য বিধানসভার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে জিতেছে কংগ্রেস, একটিতে জিতল বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে এই চারটি বিধানসভা এলাকায় এগিয়েছিল বিজেপি।
অসমেও পদ্মফুল ফুটেছে। এই রাজ্যের তিন আসনের মধ্যে একটিতে বিজেপি, একটিতে কংগ্রেস ও একটিতে এআইইউডিএফ জয়ী হলো। ত্রিপুরার মনু বিধানসভা কেন্দ্রে মানিক সরকারের নেতৃত্বে জয়ী হয়েছেন সিপিএম প্রার্থী প্রভাত চৌধুরী। কংগ্রেসের মইলাফ্রু মগকে তিনি ১৫ হাজার ৯৭১ ভোটে হারিয়েছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীকে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ছেড়ে যাওয়া মেডক কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে টিআরএস। টিআরএস-এর জয় প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের ফল ১-১। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে চৌরঙ্গিতে জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থী নয়না ব্যানার্জী। তৃণমূলের দীপেন্দু বিশ্বাসকে এক হাজার ৭৪২ ভোটে হারিয়ে বসিরহাটে জয়ী হয়েছেন শমীক।
আনন্দবাজারের খবরঃ

রাস্তায় ফের একা, ভেঙে গেল বাম রাজনীতির জুটিও

এন্টালির ছাত্র দফতর থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত হাঁটতেন দুই যুবক। এক জন ঢুকে যাবেন দিলখুশা স্ট্রিটের পার্টি আস্তানায়। অন্য জনের গন্তব্য যাদবপুর। দুই বন্ধুতে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত হেঁটে আসার পরে এক জন আরও একটু হেঁটে এগিয়ে যেতেন বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত। সেখান থেকে বাস ধরলে ভাড়াটা আর একটু কম হয়! চার দশক আগে পার্ক সার্কাস থেকে বালিগঞ্জ পর্যন্ত একা হাঁটতেন যে যুবক, সোমবার সন্ধ্যায় এন্টালি থেকে একাই রওনা দিলেন বিমানবন্দরের উদ্দেশে।

জমি-জট নিয়ে মমতার সঙ্গে বসবেন গডকড়ী

রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা-ই হোক, নরেন্দ্র মোদীর সরকার উন্নয়নে কোনও আপস করতে চায় না বলে বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও জবরদখলের মতো সমস্যার জন্য ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক-সহ নানা প্রকল্প আটকে রয়েছে। এই জট ছাড়াতে তিনি নিজে কলকাতা গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলবেন। কারণ, রাজ্যগুলির সাহায্য ছাড়া কেন্দ্রের পক্ষে একতরফা ভাবে এগোনো সম্ভব নয়।


বসিরহাটে বিজেপি জয়ী, চৌরঙ্গিতে তৃণমূল

সারদা-কাণ্ডের আবহে মানরক্ষা হল তৃণমূলের। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল বিজেপি-ও। রাজ্যের দু'টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ফলাফল দাঁড়াল ১-১!খাস কলকাতায় চৌরঙ্গি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৩৪৪ ভোটে জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্রে দ্বিতীয় হয়েছেন বিজেপি-র রীতেশ তিওয়ারি। আবার উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলকে ১৫৮৬ ভোটে পিছনে ফেলে জয়ী হয়েছেন বিজেপি-র শমীক ভট্টাচার্য।

উপনির্বাচনে গুজরাত, রাজস্থান উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা বিজেপি'র

মোদি ম্যাজিক কি ক্রমে ফিকে হচ্ছে? মঙ্গলবার দেশ জুড়ে ১০টি রাজ্যের ৩০টি বিধানসভা এবং তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলের প্রবণতা দেখে এই প্রশ্নটিই উঠছে। রাজস্থান, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। অথচ, গত মে মাসে লোকসভা নির্বাচনের ফলে এই তিনটি রাজ্যেই ঝড় তুলেছিল বিজেপি।

ক্ষতিপূরণে কেন রাজকোষের টাকা, নবান্নকে প্রশ্ন এজি'রও

প্রশ্নটা গোড়াতেই উঠেছিল। প্রায় সতেরো মাস বাদে একই প্রশ্ন তুলে বিতর্ক উস্কে দিল খোদ সিএজি'র অফিস। তাদের পশ্চিমবঙ্গ শাখা (এজি বেঙ্গল) গত মাসে রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে, সারদার আমানতকারীদের ক্ষতি পোষানোর জন্য সরকার আমজনতার করের টাকায় তহবিল গড়ল কেন? নবান্নে ওই চিঠি আসার এক মাস গড়িয়ে গিয়েছে। সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় হিসেবরক্ষককে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। চিঠি পাওয়ার পরে সারদা-তহবিলে সরকার অবশ্য টাকাও জমা করেনি। কিন্তু এজি'র প্রশ্নের উত্তরে নবান্ন-কর্তারা এখনও মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকায় সারদা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের 'ঘনিষ্ঠতা'র অভিযোগই দিন দিন মান্যতা পাচ্ছে বলে মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ।

আইন থাকলেও সারদাকে ধরেনি রাজ্য, অভিযোগ

সারদা গোষ্ঠীর কাজকর্ম রুখতে ব্যর্থতার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলল কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস (এসএফআইও)। সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্টে এসএফআইও বলেছে, সারদা গোষ্ঠী চিট ফান্ড সংক্রান্ত আইন ভেঙেছিল। ওই আইনে অর্থলগ্নি সংস্থাগুলির বেআইনি কাজকারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।

কুণাল-ছোঁয়া এড়িয়েই বছর পার কমিশনের

সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন এসেছেন অন্তত ৫০ বার। দেবযানী মুখোপাধ্যায় বার বিশেক। দিল্লি থেকে ডেকে আনা হয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মাতঙ্গ সিংহ, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মনোরঞ্জনা সিংহকেও। কিন্তু সারদা কেলেঙ্কারির অন্যতম মূল অভিযুক্ত কুণাল ঘোষকে এখনও এক বারের জন্যও ডেকে উঠতে পারেনি শ্যামল সেন কমিশন। এমনকী, কুণাল নিজে থেকেই কমিশনে হাজির হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন, তা-ও অনেক দিন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কমিশন তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। ফলে প্রায় দেড় বছর ধরে কুণালকে এড়িয়েই সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত চালাচ্ছে শ্যামল সেন কমিশন।

সরাসরি মমতাকে বিঁধেই সুর আরও চড়াল সি পি এম

শুরুটা করে দিয়ে গিয়েছিলেন বিজেপি-র সভাপতি অমিত শাহ। সেই সুরই এ বার তুলে নিল বামেরাও। সারদা-কাণ্ডে কলকাতার রাজপথে সিপিএমের ছাত্র, যুব, মহিলা ও শ্রমিক সংগঠনের মিছিলে সোমবার শোনা গেল 'গলি গলি মে শোর হ্যায়, মমতা ব্যানার্জি চোর হ্যায়' স্লোগান! সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করতে চেয়ে তাঁকে 'দেশদ্রোহে' মদত দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা যায় কি না, সেই প্রশ্নও তুলে দিলেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্যামল চক্রবর্তী।

সারদার টাকা খরচ কোথায়, দীর্ঘ জেরা ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের

ময়দানে সারদার টাকার হদিস করতে এ বার ক্লাবকর্তাদের ডেকে পাঠাতে শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার-সহ তিন কর্মকর্তা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র দফতরে হাজির হন। ইডি সূত্রের খবর, সারদার টাকা কী ভাবে খরচ করা হয়েছে, সে ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছিল। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্তারা এ ব্যাপারে কিছু নথি জমা দিয়েছেন। মোহনবাগান ক্লাবের কাছেও এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ দিন তাদের কোনও কর্তা ইডি দফতরে না গেলেও এক প্রতিনিধি মারফত হিসেবের নথিপত্র পাঠানো হয়েছে।

দেশজুড়ে উপনির্বাচনের ফলাফলে ধাক্কা খেল বিজেপি, মোদির জনপ্রিয়তায় ভাঁটা?

এবিপি আনন্দ ওয়েব ডেস্ক
Tuesday, 16 September 2014 11:21 AM
submit to reddit
নয়াদিল্লি: মোদি ম্যাজিক কি ক্রমে ফিকে হচ্ছে? দেশোজুড়ে বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল দেখে অনেকে এই প্রশ্নই তুলছেন লোকসভা ভোটে যে রাজস্থান, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে মোদি-ঝড় দেখা গিয়েছিল, সেই তিন রাজ্যেই জোর ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও গুজরাতে কার্যত মুখ পুড়ল বিজেপির। অথচ, গত লোকসভা নির্বাচনে এই তিনটি রাজ্যেই দেখা গিয়েছিল মোদি-সুনামি।
উত্তরপ্রদেশে ১১টি বিধানসভা আসনের উপ নির্বাচনে আটটি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে মুলায়ম সিংহ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। মাত্র তিনটি নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে বিজেপি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই ১১টি আসনই বিজেপি জোটের দখলে ছিল। লোকসভা ভোটে এই উত্তরপ্রদেশেরই ৮০টির মধ্যে ৭৩টি আসনে জিতেছিল বিজেপি জোট। তারপর উপ-নির্বাচনে এই ফল রীতিমতো হতাশাজনক বিজেপির কাছে।
উত্তরপ্রদেশের মতোই লোকসভা ভোটে রাজস্থানেও রীতিমতো মোদি-ঝড় দেখা গিয়েছিল। সবক'টি আসনেই জিতেছিল বিজেপি। রাজস্থানে আট মাস হল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকারও গড়েছে তারা। কিন্তু, উপ নির্বাচনে ধাক্কা খেল বসুন্ধরা রাজের বিজেপি। রাজস্থানের যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছে, সবক'টিই ছিল বিজেপির দখলে। তার মধ্যে তিনটি ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস। একটি মাত্র নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে বিজেপি। মোদির খাসতালুক গুজরাতেও বিধানসভা উপ নির্বাচনে মুখ পুড়েছে বিজেপির। মোদির ১০০দিনের সঙ্গে সঙ্গেই গুজরাতের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী আনন্দিবেন পটেলের কাছেও এটা ছিল প্রথম বড় পরীক্ষা। কিন্তু দেখা গেল মোদি-বিহীন গুজরাতে গেরুয়া কিছুটা হলেও ফিকে। গুজরাতে ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছে। এই ন'টিই ছিল বিজেপির দখলে। তার মধ্যে তিনটি ছিনিয়ে নিয়েছে কংগ্রেস। ৬টি ধরে রেখেছে বিজেপি।
উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, রাজস্থানে বিজেপি এভাবে মুখ থুবড়ে পড়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তা হলে কি মোদি ম্যাজিক ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, উপ-নির্বাচনের এই ফলকে এখনই মোদির বিরুদ্ধে অনাস্থা বলা উচিত নয়।তবে, মোদির নামেই বিজেপি সব জায়গায় জিতবে, এমনটা ভাবাও যে ঠিক হবে না, তা এই ফল থেকে স্পষ্ট। উপ-নির্বাচনের এই ফল বিজেপিকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, রাজস্থানের বিধানসভা উপনির্বাচনে ধাক্কা খাওয়াটা নরেন্দ্র মোদির ওপর মানুষের অনাস্থার প্রতিফলন, এই ধারণা খারিজ করে দিয়েছে বিজেপিও। দলের সহ সভাপতি মুখতার আব্বাস নকভির দাবি, এই ফলে কেন্দ্রের সরকার সম্পর্কে মানুষের মতের প্রতিফলন হয়নি, কেননা একেবারে স্থানীয় ইস্যুতে রাজ্যে রাজ্যে ভোট হয়েছে। তবে এই ফল আমাদের রাজ্যস্তরে যেসব গলদ, ত্রুটি হয়েছে, সেগুলি বুঝে নেওয়ার সুযোগ  করে দিয়েছে এবং কয়েকটি রাজ্যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের অবশ্যই জিততে সাহায্য করবে। দলের মুখপাত্র শাহনওয়াজ হুসেনও দাবি করেন, এই উপনির্বাচনের ফলে  কেন্দ্রের বা রাজ্যের সরকারগুলির ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। হার নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, কয়েকটি কেন্দ্রে জয় এসেছে, কয়েকটিতে দল হেরেছে কেননা পুরোপুরি স্থানীয় ইস্যুতে ভোট হয়েছে। তাছাড়া অনেকগুলি কেন্দ্রে কিছু দলের পূর্ণ আধিপত্য রয়েছে।   
মোদি সরকারের ১০০দিনের কাজ যে মানুষকে সম্পূর্ণ খুশি করতে পারেনি, তার ইঙ্গিত কিছুটা হলেও উপ-নির্বাচনের এই ফলে মিলল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সামনেই মহারাষ্ট্র, হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে বিজেপির ফল কীরকম হয়, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে বলে মত তাঁদের। পাশাপাশি, বিজেপির কংগ্রেসমুক্ত ভারতের ডাক সাধারণ মানুষ যে ভালভাবে নেয়নি, তার প্রমাণও উপ নির্বাচনের এই ফলাফলে মিলল বলে ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের। তাঁরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যগুলিতে লোকসভা ভোটে বিজেপি সাফল্যের গ্রাফ একেবারে শীর্ষে পৌঁছেছিল, তাই স্বাভাবিকভাবেই সেখান থেকে আর ওপরে ওঠার জায়গা নেই, তাই বিজেপির জনপ্রিয়তায় কিছুটা হলেও ভাঁটা চোখে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে তাই পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যই এখন মোদি-অমিত শাহদের নজরে। কারণ, এখানে বিজেপির বাড়ার সুযোগ রয়েছে। আর সেটার লক্ষ্যেই এগোচ্ছেন তাঁরা। আর সে কারণেই হয়ত দেশজোড়া ট্রেন্ডের উল্টোপথে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গে একক ক্ষমতায় বিধানসভায় খাতা খুলল বিজেপি।


সম্মানের লড়াইয়ে জিতে চৌরঙ্গীতে শেষ হাসি তৃণমূলের
কলকাতা: জোর  লড়াইয়ের পর চৌরঙ্গীতে শেষ হাসি হাসল তৃণমূল কংগ্রেসই।  গত লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের চেয়ে ১৫০০ ভোটে এই আসনে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল।  উপনির্বাচনে জয় এল ১৪০০ বেশি ভোটে।  এই জয়ের কৃতিত্ব  কাউন্সিলর ইকবাল আহমেদকেই দিচ্ছে দল। ইকবাল আহমেদের ৬২ নম্বর ওয়ার্ডেই সাড়ে ৬ হাজার ভোটে লিড পেয়েছে তৃণমূল।
দীর্ঘ পনেরো বছর পর বিধানসভায় পা রাখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত রাজ্য বিজেপি নেতারা। উপনির্বাচনের ফলাফলের ওপর ভরসা রেখে এ বার তাঁদের লক্ষ্য দু-হাজার ষোলোর বিধানসভা নির্বাচন।
ভোটের ফল বেরনোর পর এটাই ছিল বিজেপি রাজ্য দফতরের ছবি।
১৯৭৭-এ সাবেক জোড়াবাগান বিধানসভা কেন্দ্রে জনতা পার্টির টিকিটে জিতেছিলেন হরিপদ ভারতী। পরে বিজেপির প্রথম রাজ্য সভাপতি  হন তিনি।
১৯৯৯-এ তৃণমূলের সঙ্গে জোট থাকাকালীন অশোকনগর কেন্দ্র থেকে বিধানসভায় গিয়েছিলেন বিজেপির বাদল ভট্টাচার্য।
২০১৪-র বিধানসভা উপনির্বাচনে একক শক্তিতে রাজ্য বিধানসভায় পা রাখল বিজেপি।
বসিরহাটে জিতলেও চৌরঙ্গিতে হারতে হয়েছে। তবে, এই হারকে পাত্তা দিতে নারাজ রাজ্য বিজেপি নেতারা। কারণ, চৌরঙ্গিতে দলের ভোট বেড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। আর তাই, ভোটে হেরেও দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাসে সামিল এই কেন্দ্রের পরাজিত প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি।
২০০৯ সালে  লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ৬.৬% ভোট পেয়েছিল বিজেপি।  
২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তা কমে দাঁড়ায় ৪%।
গত লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপির ভোটের হার ছিল ১৬.৮%
তিন বছরে এরাজ্যে দলের ভোট চারগুণের বেশি বাড়ায়   রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার ক্যারিশমার ওপরই ভরসা রাখছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
উপনির্বাচনের ফল বেরনোর পর রাহুল সিনহাকে ফোনে
অভিনন্দন জানিয়েছেন দলীয় সভাপতি অমিত শাহ। মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিল প্রায় দু-ডজন ক্যামেরা। সাংবাদিকদের ভিড়ে ঘরে পা ফেলার জায়গা নেই। কয়েক মাস আগে খোদ বিজেপি নেতারাও এমনটা ভাবতে পারতেন না। উচ্ছ্বাসের এই আবহেই তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
আগামী বছর কলকাতা পুরসভা নির্বাচন। পুরভোটে শাসকদলের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে ঝাঁপাতে চাইছে রাজ্য বিজেপি।

চৌরঙ্গি ও বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ভোটগণনা শেষ হল। উপনির্বাচনের ফলাফল বলছে তৃণমূল ১, বিজেপি ১। বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে এনে, রাজ্য বিধানসভায় খাতা খুলল বিজেপি। অন্যদিকে, চৌরঙ্গি আসন ধরে রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। বামেদের করুণ অবস্থা বজায় থাকল।
চৌরঙ্গি আসন ধরে রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪ হাজার ৩৪৪ ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির রীতেশ তিওয়ারিকে হারালেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।
বসিরহাট কেন্দ্রে গণনা শেষ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ১৭৪২ ভোটে জয়ী বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য। আগের সব রাউন্ডের এগিয়ে থাকলেও শেষের রাউন্ডে হারতে হল দীপেন্দু বিশ্বাসকে।
চৌরঙ্গিতে ১২ তম রাউন্ডের শেষে তৃণমূল প্রার্থী এগিয়ে গেলেন ৩৫৯৪ ভোটে।
বসিরহাটে নবম রাউন্ডের গণনা শেষ ৭১৮৬ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাস (৫৩,৫৭৩টি ভোট)। বাকি আর একটা রাউন্ডের গণনা বাকি আছে। দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি (৪৬,৩৮৬), তৃতীয় স্থানে সিপিআইএম (২০৬০৪)
চৌরঙ্গিতে দশম রাউন্ডের গণনা পর দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল বিজেপি। তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ২,৪০৯ ভোটে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে। তিনে নেমে গেল কংগ্রেস। চতুর্থ স্থানেই থাকল বামেরা।
দশম রাউন্ডের শেষে চৌরঙ্গিতে প্রাপ্ত ভোট-তৃণমূল-১৯,৫০১টি ভোট,বিজেপি-১৬,৬২৬টি ভোট, কংগ্রেস-১৬,৫২৬টি ভোট,সিপিআইএম-৬,২২৫টি ভোট
চৌরঙ্গিতে নবম রাউন্ডের ভোট গণনা শেষ। ১১৭৭ ভোটে এগিয়ে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি। তৃতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী,চতুর্থ স্থানে সিপিআইএম প্রার্থী।
ফের হিসাব উল্টে গেল চৌরঙ্গিতে। অষ্টম রাউন্ড শেষে তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে রয়েছেন ৩৫৭ ভোটে। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি। তৃতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী,চতুর্থ স্থানে সিপিআইএম প্রার্থী।
বসিরহাট দক্ষিণে ষষ্ঠ রাউন্ড শেষে লিড কিছুটা কমল তৃণমূল প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাসের। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শমিক ভট্টাচার্যের থেকে ১১,২৩২ ভোটে। এখন এই কেন্দ্রে চলছে শহরাঞ্চলের ভোটগণনা। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, তাই তৃণমূলের লিড কমছে।
চৌরঙ্গি কেন্দ্রে সপ্তম রাউন্ডের শেষে ৩৪৪ ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি। চতুর্থ স্থানে সিপিআইএম প্রার্থী ফৈয়াজ আহমেদ খান।
বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে পঞ্চম রাউন্ডের গণনা শেষে ১৭,০২৪ ভোটে এগিয়ে আছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাস। দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী শমিক ভট্টাচার্য। তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস প্রার্থী অসিত মজুমদার। চতুর্থ স্থানে সিপিআইএম প্রার্থী মৃণাল চক্রবর্তী।
বসিরহাট দক্ষিণে চতুর্থ রাউন্ড শেষে কে কতগুলি ভোট পেলেন-- তৃণমূল-২১,৯২৩টি ভোট, বিজেপি-১৪,৪৬২, কংগ্রেস-৯,৭৬২টি ভোট, সিপিআইএম-৭,৭৪২টি ভোট।
চৌরঙ্গি কেন্দ্রে পঞ্চম রাউন্ডের গণনা শেষ। ২,৫৮৮ ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল প্রার্থী। তৃতীয় স্থানে বিজেপি, চতুর্থ স্থানে বামফ্রন্ট প্রার্থী।
সকাল ১০টা- বসিরহাট দক্ষিণে চতুর্থ রাউন্ড শেষে ৭,৬০০ ভোটে এগিয়ে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাস। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শমিক ভট্টাচার্য।
সকাল ৯.৩০টা- তৃতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে ২,৯৩৪ ভোটে এগিয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকাল ৯.১৫টা- তৃতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে ৫,২৯০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাস। দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী শমিক ভট্টাচার্য।
সকাল ৯টা- দ্বিতীয় রাউন্ড গণনার শেষে চৌরঙ্গিতে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ৭০৭ ভোটে। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। তৃতীয় স্থানে আছেন বিজেপি প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি। চতুর্থ স্থানে বাম প্রার্থী ফৈয়জ আহমেদ খান।
প্রথম রাউন্ড শেষে চৌরঙ্গিতে কে কত ভোটে পেল- তৃণমূল- ২০৪৯ ভোট, কংগ্রেস-১০৯৩ ভোট, বিজেপি-৭৯৬ভোট, বামফ্রন্ট-৭৮৫ ভোট
সকাল ৮.৪১- প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাস। প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে দীপেন্দু বিশ্বাস এগিয়ে ২,২৫৩ ভোটে। লোকসভা নির্বাচনে এই বিধানসভা কেন্দ্রে বড় লিড পেয়েছিল বিজেপি।
সকাল ৮.৪০- প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে চৌরঙ্গি কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী এগিয়ে ১,১০০ ভোটে এগিয়ে। লোকসভা ভোটে এই বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল কংগ্রেস।
২০০১১ বিধানসভা নির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে বামফ্রন্ট প্রার্থী নারায়ণ মুখার্জি জয়ী হয়েছিলেন। নারায়ণ মুখার্জি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী হারান ১২,৪০০ ভোটের ব্যবধানে।
২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে চৌরঙ্গি কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন শিখা মিত্র। কংগ্রেস সমর্থিত তৃণমূল প্রার্থী শিখা মিত্র তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাম সমর্থিত আরজেডি প্রার্থী বিমল সিংকে হারান ৫৭,৭৩৯ ভোটের ব্যবধানে। তৃতীয় স্থানে থাকা  বিজেপি পেয়েছিল ৪,৭৯৯টি ভোট
সকাল ৮টা- ভোট গণনা শুরু হল।
চতুর্মুখী লড়াই হলেও, দুটি কেন্দ্রেই তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াইটি হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। চৌরঙ্গি কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি দাঁড় করিয়েছে রীতেশ তিওয়ারিকে। বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য। তৃণমূল দাঁড় করিয়েছে ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসকে।

उपचुनावों के नतीजे के आधार पर यह मान लेने की कोई वजह नहीं है कि मोदी लहर थम गयी है और केसरिया एजंडा के कार्यान्वयन में कोई ढील होगी।

संघ परिवार चाहे सत्ता में हो या सत्ता से बाहर,उसके एजंडे को अंजाम देने की निष्ठा,प्रतिबद्धता और रणानीति के जवाब में धर्मनिरपेक्ष खेमा बार बार मात खाती रही है।

चुनावी हार जीत की बात छोड़िये,आपातकाल में प्रतिबंधित संघ परिवार ने इंदिरा गांधी के साथ साथ सोवियत परस्त समाजवादी माडल के एप्पिल कार्ट उलटाने और भारत को अमेरिका इजराइल जापान का उपनिवेश बनाने की नींव कारसेवा शुरु कर दी थी।

इंदिरासमय में ही आपरेसन ब्लू स्टार मारफ्त हिंदुत्व का सबसे बड़ा ध्रूवीकरण हुआ तो राजीव की जमीन तोड़ बहुमति सरकार को हिंदुत्व साम्राज्यवादी अभिमुख देने में संघ परिवार की निर्णायक भूमिका रही है।

बांग्लादेश मुक्तिसंग्राम और श्रीलंका में सैन्य हस्तक्षेप भी संघी सक्रियता का परिणाम है तो सुपरतकनिीक काल,नवउदारवाद और मुक्तबाजार भी संघी एजंडा का जायनी कारोबार है।

कांग्रेस की जीत से यह समझ लेने की भूल न कीजिये कि संघपरिवार का जनादेश खत्म हो गया।

इतिहास लेकिन गवाह है कि कांग्रेस की राजनीति गांधी वर्चस्व काल से हिदुत्व की राजनीति रही है,समाजवादी माडल के वक्त जो देवरस समरस समय था।

कमंडल के खिलाफ मंडल कार्यक्रम में भी कांग्रेस की बराबर हिस्सेदारी रही है।तो कुल मिलाकर कांग्रेस वही है जो संघ परिवार ।

एक ही सिक्के के दो पहलू।कांग्रेस और संघ परिवार।

इन उपचुनावों में उत्तर प्रदेश में समाजवादी पार्टी की भाजपा को खंडित शिकस्त से शाही राजकाज में कोई फर्क पड़ेगा,इसके ज्यादा आसार नहीं है नही पूरे देश को समग्र गाजापट्टी में तब्दील करने का एजंडा वापस होने वाला है और न लव जिहाद और धर्मोन्मादी ध्रूवीकरण का सिलसिला खत्म होने वाला है।

अस्मिता राजनीति अब पूरी तरह केसरिया है,इसे साबित करने के लिए हनुमान जी की पूंछ में आग लगाने की जरुरत नहीं है।

बहुजन राजनीति के कफन में जो आखिरी कीलें ठुक गयी हैं।

अखिलेश की जीत की खबर में मायावती कहीं नहीं है।समाजवाद बहुजन वैमनस्य के बावजूद धर्म निरपेक्ष खेमे के लिए यह खास पड़ताल का मुद्दा है।

बहुजन प्रतिनिधित्व के केसरियाकरण का सिलसिला लेकिन थमा नहीं है।

सबसे बुरी खबर बंगाल से है जो बहुजन और प्रगतिशील आंदोलन का गढ़ है। साथ ही बौद्धमय भारत का आखिरी मुक्तांचल भी है,जिसका कुछ हिस्सा अब विदेश है और खुशखबरी यह है कि उस विधर्मी विदेश में अब भी बौद्धमय भारत का अवशेष है जो नेपाल में गौतम बुद्ध के जन्मस्थल से लेकर सिक्किम और लेह  तक में केसरिया हुआ जा रहा है।

संघ परिवार के लिए बंगाल को सर्वोच्च प्राथमिकता बहुत दीर्घकालीन रणनीति है।भारत में कृषिजीवी जनसमुदायों की विरासत आदिवासी जनविद्रोहों से लेकर संन्यासी विद्रोह,नील विद्रोह,1857 की क्रांति और तेभागा से लेकर वाम भूमि सुधार और नक्सल किसान विद्रोह तक के अनंत कैनवास पर बंगाल की अनार्यभूमि है जिस पर सहस्राब्दियों बाद यह आर्यावर्त का निर्णायक हमला है,जिसका असर संपूर्ण जियो पोलिट्कस पर होने वाला है।

सबसे मायनेखेज और सनसनीखेज तथ्य तो यह है कि बंगाल के केसरियाकरण से भारत में प्रतिरोध का आखिरी किला भी ध्वस्त होने जा रहा है।

संशोधनवादी पूंजीपरस्त संसदीय वाम का आत्मघाती विचारधाराविरुद्धे अस्मिता बंगाली मलयाली सौदेबाज मुक्तबाजारी  राजनीति का हश्र यह कि दिनोंदिन तेज होरहे ममता विरोधी तूफान और जनरोष के बावजूद तेजी से सत्ता विकल्प बतौर पद्म प्रलय है तो चौरंगी में वाम जमानत भी जब्त है।

ग्रामीण बशीरहाट में उसे तृणमूल और भाजपा के मुकाबले आधे वोट भी नहीं मिले हैं।

इसीके मध्य नंदीग्राम सिंगुर भूमि आंदोलन समर्थक भद्र बंगीय समाज और तथाकथित सुशील समाज का केसरिया कायाकल्प हो रहा है।

सितारे पहले तृणमूली आकाश में चमके और चमकते चमकते काजल की कोठरियों में तब्दील होते रहे और जेल की कोठरियों में स्थानांतरित होने को हैं।

बाकी बचे सितारे और आइकन केसरिया होने को बेताब है।

बालीवूड टालीवूड केसरिया है तो मीडिया साहित्य और संस्कृति भी केसरिया।

सबसे बड़ा अखबार अब पांच्यजन्य है और प्रोफेशनल साख और टीआपरपी संपन्न सामना भी वह।ऐसे समय में जाल बहेलिया का दाना डाले पसर रहा है सर्वत्र।

कारपोरेट जनादेश सुनिश्चित होने से पहले सौरभ गांगुली को भारत का खेलमंत्री बनने की पेशकश की थी तब प्रधानमंत्रित्व के दावेदार प्रधान स्वयंसेवक ने।

बसीरहाट में जीत से पहले उन्हीं सौरभ गांगुली से एकांत वार्ता हुई है भारत के सबसे चतुर कारबारी कप्तान की।

संघपरिवार दादागिरि के मार्फत दीदीगिरि का जवाब खोज रहा है और इसी सिलिसिले में फुटबाल लीग में गले गले डूबे सौरभदादा का बंगाल में भाजपा कमान सौंपने को कहा गया है।

गनीमत है कि चारा अभी निगला नहीं है अति बुद्धिमान सौरभ दादा ने।

आवेग सर्वस्व व्यक्ति पूजक बंगाल में केसरिया दादा यकीनन भारी होंगे दीदी के टूट रहे करिश्मे पर,इसपर आप आंख मूंदकर दांव लगा सकते हैं।

जो अंध बंगाली राष्ट्रवादी वाम अस्मिता भारत में वाम आंदोलन के अवसान का कारण बनी है,उसे ही अब संघ परिवार हिंदुत्व का,हिंदू राष्ट्र का सबसे अचूक हथियार बनाने के फिराक में है।

कामयाबी मिल गयी तो संसदीय वाम के मुख्यधारा में लौटने के निराधार सपने का पटाक्षेप हो जायेगा जो सत्ता से बेदखल होने के बावजूद नेताओं कार्यकर्ताओं के बहिस्कार के रास्ते आत्मालोचना के सारे दरवाजे बंद करके बिना प्रतिरोध संघ पिरवार के लिए मैदान छोड़ चुका है।

जाहिर है कि उत्तरप्रदेशीय शाही समरस सोशल इंजीनियरिंग के मुकाबले वाम बेदखली के साथ दीदी को निपटाने की शरदा पृष्ठभूमिया यह बुनकरी कुछ ज्यादा ही महीन है और एशिया के नये रेशमपथ का शिलान्यास भी है।

अब गायपट्टी के सिंह द्वार से नहीं बल्कि सूर्योदयी पूर्व से भारत को हिंदू राष्ट्र बनाने का अभियान अश्वमेधी कर्मकांड से शुरु कर चुका है और बेखटके निर्मायक बढ़त बना चुका है।

सौरभ दादा को भारत क सारी खेल गतिविधियों की जिम्मेदारी लेने की पेशकश भी कर दी गयी है।अब देखें कि दादा अराजनीतिक  कारोबारी आइकन हैसियत के मुकाबले इस राजनीतिक विक्लप को कब तक टालते रहते हैं।

दादा नहीं भी मिले तो चमकप्रद विकल्प भी केसरिया तैयार है जिनका पूरे देश पर असर होना है।
এবার শাসন ক্ষমতায় এলে ৫০ বছর থাকব: গৌতম

আজকালের প্রতিবেদন: সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের ৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রিত্ব শেষে বামেরা শাসন ক্ষমতায় এসে ৩৪ বছর দায়িত্ব পালন করেছে৷‌ মমতার ৫ বছর শেষে বামেরা শাসন ক্ষমতায় এসে ৫০ বছর দায়িত্ব সামলাবে৷‌ সোমবার এস এফ আই রাজ্য কমিটি আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এই মত প্রকাশ করেছেন সি পি এম উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দেব৷‌ তিনি বলেন, আমরা সরকারে যাওয়ার জন্য লালায়িত নই৷‌ কিন্তু পরিস্হিতি এমন হচ্ছে, শাসন ক্ষমতায় আমরাই আসব৷‌ কেউ ঠেকাতে পারবে না৷‌ এবার মানুষ বামফ্রন্টকে সরানোর আগে একশোবার ভাববে৷‌ এদিন 'পরিবর্তনের সংস্কৃতি: সংস্কৃতির পরিবর্তন' শীর্ষক আলোচনাচক্রের আয়োজন করেছিল এস এফ আই৷‌ মৌলালির যুব কেন্দ্রে৷‌ উপস্হিত ছিলেন ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন নেতা, সি পি এম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দেব, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, সাংসদ এবং এস এফ আই সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত ব্যানার্জি৷‌ ছিলেন এস এফ আই রাজ্য সম্পাদক দেবজ্যোতি দাস, সভানেত্রী মধুজা সেনরায়-সহ শ্রীজীব গোস্বামী, ময়ূখ বিশ্বাস প্রমুখ৷‌ সারদা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে গৌতমবাবু বলেন, রাজ্যে সি বি আই, পুলিস আধিকারিকেরা ঘোরাঘুরি করছেন৷‌ আমরা ৩৪ বছরে শাসন ক্ষমতায় ছিলাম৷‌ বিভিন্ন সময় প্রায় ১০০ জন মন্ত্রী ছিলেন৷‌ এর মধ্যে ৪জন মন্ত্রী বের করে দেখাক যাঁর ৬টা গাড়ি, ব্যাঙ্কে ২ কোটি টাকা আছে৷‌ কিন্তু যে সরকার চলছে তার সঙ্গে কোনও মিল আছে? পবিত্র সরকারের অভিযোগ, শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতারা ভর্তির জন্য কোটি কোটি টাকা তুলছেন৷‌ পরীক্ষায় নকল না করতে দিলে অধ্যাপক-শিক্ষকদের নিগৃহীত হতে হচ্ছে৷‌ নির্বাচনের নামে গুন্ডামি হচ্ছে৷‌ বামপম্হা, লাল ঝান্ডা ধরার অপরাধে হত্যা করা হচ্ছে, ধর্ষণ করা হচ্ছে৷‌ অদ্ভুত ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷‌ ঋতব্রত ব্যানার্জির দাবি, মানুষের মনে ঢুকে গেছে সারদা-কাণ্ডের গোটা ঘটনার রন্ধ্রে রন্ধ্রে তৃণমূল জড়িয়ে আছে৷‌ তৃণমূলের ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী পুরো ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে৷‌ পবিত্রবাবুর মতে, লক্ষ লক্ষ মানুষের টাকা লুট করে নির্বাচনে সুবিধে নেওয়া হয়েছে৷‌ অপরাধীদের ফাঁসির দড়ি ছোট হয়ে আসছে৷‌ প্রতিবাদ, প্রতিরোধে ফেটে পড়ার সময়৷‌ গৌতমবাবুর অভিযোগ, বি জে পি দাঙ্গাবাজ পার্টি৷‌ বি জে পি-র কোনও ভবিষ্যৎ নেই৷‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷‌ পূরণ না করলে দুঃখ আছে৷‌ এবং তা মমতার চেয়ে তাড়াতাড়ি বুঝবেন৷‌ তিনি বলেন, দেশ দখল করতে হলে বুকে চড়াই পাখির মতো কলিজা থাকলে হবে না৷‌ বাজপাখির মতো হতে হবে৷‌ বাম ছাত্রনেতাদের প্রতি তাঁর বার্তা, ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে৷‌ তর্ক করতে করতে জিততে হবে৷‌ না হলে হেরে যাবেন৷‌ নকশাল, কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্রনেতারা বক্তৃতা দিয়ে চলে যাচ্ছেন৷‌ এবার আপনাদের উত্তর দিতে হবে৷‌ বিরোধী পক্ষ তো বলবে এস এফ আই সি পি এমের দালাল৷‌ উত্তর দাও৷‌ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কত খরচ হয়েছে? উত্তর দাও৷‌ বিরোধী পক্ষের ছাত্রনেতারা তো দাবি করবেন, যে শিল্পী ৫০০ টাকা নেন তাঁকে ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে৷‌ সব উত্তর দিতে হবে৷‌ পালাতে পারবে না৷‌ এস এফ আই রাজ্য সম্পাদক দেবজ্যোতি দাস অভিযোগ করেন, মৌলালি যুব কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর সরিয়ে ফেলা হয়েছে৷‌ যার স্হাপন করেছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু৷‌ এর প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে সই সংগ্রহের ডাক দেন তিনি৷‌
আজকালের প্রতিবেদন: আক্রমণাত্মক মেজাজে শাসক দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পথে নামল সি পি এমের ৪ গণসংগঠন৷‌ সঙ্গে ছিলেন সারদা-সহ চিটফান্ডে প্রতারিত আমানতকারীরাও৷‌ সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে এদিন জমায়েতের ডাক দিয়েছিল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন, সিটু এবং সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি৷‌ দুপুর দুটোয় মিছিল শুরুর কথা থাকলেও তখন সামনের রাস্তা বেনজির যানজটে জেরবার৷‌ চারদিক দিয়ে তখন মিছিল আসতে শুরু করেছে৷‌ গোড়ায় পুলিসসের হেলদোল না থাকলেও পরে তৎপর হয় পুলিস৷‌ সারদা নিয়ে এদিন যেন একটু বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন বামেরা৷‌ মদন, মুকুল, রজতের পাশাপাশি এদিন সরাসরি মমতা ব্যানার্জির নামে স্লোগান শুরু করে দেয় 'অলিগলি মে শোর হ্যায়' বলে৷‌ মমতা ব্যানার্জিকে জেরা করতে হবে বলেও দাবি ওঠে৷‌ বড়সড় মিছিল যায় ওয়েলিংটন হয়ে এস এন ব্যানার্জি রোড ধরে রানী রাসমনি অ্যাভিনিউতে৷‌ সি পি এম নেতা সুজন চক্রবর্তী সরাসরি বলেই দিলেন, আরও কিছুদিন দেখব৷‌ রাস্তাতেই আছি৷‌ এর পর থানায় থানায় মিছিল যাবে৷‌ তারপর সমস্ত বিডিও অফিসে৷‌ তারপর জেলাশাসকদের অফিসে৷‌ রাজ্য উত্তাল করে তুলব৷‌ জেলা থেকে প্রতারিত আমানতকারীরা, ভাইয়েরা, বোনেরা, শিশু কোলে নিয়ে মায়েরা গঙ্গা পার হয়ে নবান্নে চলে যাবে৷‌ মমতা ব্যানার্জির কাছে জবাব চাইবে৷‌ আমরা আন্দোলনকে সেদিকেই নিয়ে যাব৷‌ গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক জামির মোল্লা সরকারকে সরাসরি চোর বলেন৷‌ বলেন, সারদা ১৮ লক্ষ মানুষের টাকা নয়ছয় করেছে৷‌ আর এই পরিবর্তনের সরকার তাতে সাহায্য করেছে, ভাগ নিয়েছে৷‌ সরকারকেই এই টাকা ফেরতের দায় নিতে হবে৷‌ ১০৪ জন এজেন্ট ও আমানতকারী আত্মহত্যা করেছেন৷‌ এর মূল্য কড়ায়গন্ডায় মেটাতে হবে রাজ্য সরকার ও শাসক দলকে৷‌ সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রেখা গোস্বামী বলেন, সুদীপ্ত সেন যেদিন পালায় তার পর দিন হাজার হাজার মা- বোন কেন তৃণমূল ভবন আর কালীঘাটে গিয়ে টাকা ফেরত চাইছিলেন? অসহায় হাজার হাজার মা-বোনেরা সেদিন জানিয়ে ছিলেন, আমরা তো দিদির ছবি দেখে আর মুকুল রায়, মদন মিত্রের ছবি দেখেই সারদার এজেন্টদের বিশ্বাস করে টাকা রেখেছিলাম৷‌ অথচ মমতা বলছেন, সেই ১ বৈশাখের আগে তিনি নাকি সুদীপ্তকে বা সারদার কথা জানতেনই না৷‌ আজ সি বি আই তদম্ত যত এগোচ্ছে, ততই সারদা, মমতা আর চিটফান্ডের সম্পর্ক মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷‌ এদিন শুরু থেকেই মিছিলে সরব ছিলেন সিটুর রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী৷‌ তিনি বলেন, সারদা নিয়ে মমতা ব্যানার্জির একটি নবরত্ন সভা ছিল৷‌ রত্নরা হলেন, মুকুল, মদন, শতাব্দী, কুণাল, ইমরান, সৃঞ্জয়, আসিফ খান, রজত মজুমদার, শ্যামাপদ মুখোপাধ্যায়৷‌ এই নবরত্নের সভায় তা-ও 'চন্দননগরের মাল'কে রাখলাম না৷‌ তাহলে তো বারো ভুঁইয়া যাবে৷‌ শ্যামল চক্রবর্তী এদিন বলেন, যুদ্ধে হেরে গেলে যেমন সেনাপতি বদলানো হয় মমতা ব্যানার্জি, তেমনি মদন, মুকুল-কে সরিয়ে পার্থ চ্যাটার্জিকে সেনাপতি করেছেন৷‌ এতে কি রেহাই পাবেন, তাই তো শুনছি ১৭টি কোম্পানি থেকে বিজ্ঞাপন নিয়েছেন৷‌ ইমরান প্রসঙ্গে সিটু সভাপতি এদিন বলেন, এমন একজনকে আপনি রাজ্যসভায় পাঠালেন? দেশকে তো বিপদের মুখে ঠেলে দিলেন৷‌ এর পর আপনাকে কি দেশদ্রোহী বলা ভুল হবে? প্রশ্ন শ্যামলের৷‌ সম্প্রতি মুকুল রায় একসভায় বলেছেন, তৃণমূলের সঙ্গে সারদার যোগ প্রমাণিত হলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন৷‌ সেই প্রসঙ্গ তুলে শ্যামলবাবু বলেন, মুকুলবাবু রাজনীতি ছাড়ার সুযোগই পাবেন না৷‌ কারণ তিনি সারদা মামলায় জেলে যাবেন৷‌ প্রথম থেকেই সাফারার্স ফোরামের সঙ্গে যৌথ আন্দোলনে সামিল সুজন চক্রবর্তী৷‌ তিনিও এদিন মিছিলে হাঁটেন৷‌ ধর্মতলার সভায় তিনি বলেন, চিটফান্ডে প্রতারিত, সর্বস্ব হারানো মানুষই এই আন্দোলনের মুখ৷‌ রাজ্য জুড়ে প্রতারিত মা-বোনেদের চোখের জল ঝরছে৷‌ একদিন এই প্রতারিত মানুষের স্রোত আর মায়েদের চোখের জল ভাসিয়ে নিয়ে যাবে শাসকদলের আড়ালে থাকা প্রতারকদের৷‌ তিনি বলেন আমরা বামপম্হীরা প্রথম থেকেই প্রতারিতদের পাশে আছি, তাঁদের টাকা ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছি৷‌ আর যে মহিলারা রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের পর রাস্তায় নামেনি, তারা এখন আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতারকদের বাঁচাতে রাস্তায় নেমেছে, ধর্নায় বসেছেন৷‌ আমরাও রাস্তায় আছি৷‌ ততদিন রাস্তাতেই থাকব যতদিন অগুনতি চিটফান্ডের প্রতারিতরা তাঁদের অর্থ না ফেরত পাচ্ছে৷‌ তিনি বলেন, আমাদের চারটি দাবি৷‌ ১- সমস্ত চিটফান্ডে প্রতারিত মানুষের টাকা ফেরাতে হবে৷‌ ২- চিটফান্ডের মালিকদের ও তাদের সহায়তা করা শাসকদলের নেতা মন্ত্রীদের কাছ থেকে নয়ছয় হওয়া টাকা উদ্ধার করতে হবে৷‌ ৩- এই সব প্রতারক ও শাসকদলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্হা করতে হবে৷‌ ৪- আমাদের ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে৷‌ এদিন সুজন চক্রবর্তী বলেন, গোপনে মাঝরাতে ডেলো বাংলোয় কুণাল মুকুলকে দুপাশে নিয়ে বৈঠক করেছিলেন কি করেননি? সাফ জবাব চাই মুখ্যমন্ত্রীর৷‌ বলেন, আপনার সততার প্রতীক লেখা সাদা কাপড়ে কালি লেগেছে৷‌ মানুষের বিশ্বাস ভেঙে গেছে৷‌ অবিলম্বে সিবিআইয়ের সামনে জেরায় বসুন৷‌ না হলে বিশ্বাস ফিরবে না৷‌

মমতার পদত্যাগ দাবি কংগ্রেসের

>>  আইএএনএস
Published: 2014-09-15 09:35:45.0 BdST Updated: 2014-09-15 17:11:50.0 BdST
সারদা কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার দায়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করে তার পদত্যাগ দাবি করেছে কংগ্রেস।

Print Friendly and PDF






RELATED STORIES
সারদা কেলেঙ্কারির নিন্দা জানানোর জন্য রোববার কলকাতায় আয়োজিত কংগ্রেসের এক সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সম্মেলনে কংগ্রেস নেতারা সিবিআই'র তদন্তে যেসব তথ্য উদঘাটিত হয়েছে তার জন্য ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন।

পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ আমানতকারীর কোটি কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগে সারদা গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ভারতের সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা দীপা দাশমুন্সি বলেন, "তার সততা ও একাগ্রতার দিকে আঙুল উঠেছে এটি মুখ্যমন্ত্রী অস্বীকার করতে পারেন না। তাই সিবিআই'র তদন্তে সত্য বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত তার উচিত পদ থেকে সরে দাঁড়ানো, আমরা আবারো এ দাবি জানাচ্ছি।"

রাজ্য কংগ্রেসের প্রধান অধির রাজন চৌধুরী বলেছেন, এই কেলেঙ্কারির নিন্দা জানানোর জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর কলকাতায় তারা একটি জনসভার আয়োজন করবেন।

এছাড়া রাজ্যসভার যে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের 'মৌলবাদি' রাজনৈতিক দল জামায়েয়ে ইসলামীর সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস।

দলটির নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য্য বলেন, "এটি যদি প্রমাণ হয় তৃণমূলের এমপি'র সঙ্গে জামায়াতের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে, তাহলে তাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।"
কংগ্রেস ছাড়াও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া-মার্কসিস্ট'ও তৃণমূলের আলোচিত সাংসদের সঙ্গে জামাতের সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ করেছে।

তবে তৃণমূলের ওই সাংসদ (আহমেদ হাসান ইমরান) এসব অভিযোগকে 'বাজে কথা' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।


The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) expresses its deep grief at the passing away of Comrade Benoy Konar, a senior leader of the Party and the peasant movement. He died on September 14 a the age of 84. Benoy Konar became a member of the Communist Party in 1948. Like his elder brother Harekrishna Konar, he became fully involved in organizing the peasant movement in Burdwan. He led various struggles of the agricultural workers and poor peasants.
Sep. 15 2014
It has been the usual practice that such a direction is given whenever major national disasters destroy lives and property in various parts of the country. Following this practice, I would request you to please instruct the Rajya Sabha Secretariat to permit us to donate part of our MPLAD fund to assist the relief operations: Sitaram Yechury to Chairman Rajya Sabha
Sep. 13 2014

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) expresses its deep grief at the passing away of Comrade Benoy Konar, a senior leader of the Party and the peasant movement. He died on September 14 a the age of 84. Benoy Konar became a member of the Communist Party in 1948. Like his elder brother Harekrishna Konar, he became fully involved in organizing the peasant movement in Burdwan. He led various struggles of the agricultural workers and poor peasants.
Sep. 15 2014
It has been the usual practice that such a direction is given whenever major national disasters destroy lives and property in various parts of the country. Following this practice, I would request you to please instruct the Rajya Sabha Secretariat to permit us to donate part of our MPLAD fund to assist the relief operations: Sitaram Yechury to Chairman Rajya Sabha
Sep. 13 2014

News From States

Left Front leaders of Kolkata District have submitted a memorandum to the West Bengal Governor raising several burning issues of the people.

Updates

Press Statements

Date
Title
Sep.15.2014
Sep.13.2014
Sep.12.2014
Sep.08.2014
Sep.05.2014
Sep.04.2014
Sep.03.2014
Aug.23.2014
Aug.19.2014
Aug.18.2014
Aug.10.2014
Aug.03.2014
Jul.31.2014
Jul.24.2014
Jul.20.2014
Jul.19.2014
Jul.17.2014
Jul.12.2014
Jul.12.2014
Jul.10.2014
Jul.10.2014
Jul.08.2014
Jul.04.2014
Jul.03.2014
Jul.01.2014
Jun.26.2014
Jun.24.2014
Jun.20.2014
Jun.20.2014
Jun.13.2014
Jun.09.2014
Jun.09.2014
May.21.2014
May.18.2014
May.16.2014
May.16.2014
May.15.2014
May.12.2014
May.12.2014
May.09.2014

Pages



: Press Release

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on attack on Gaza.

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Amit Shah's election as new BJP President on 10th July, 2014.

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Union Budget on 10th July, 2014.


Friday, May 9, 2014
The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement

Tuesday, May 6, 2014





Kolkata ,March 27th, 2014


The Central Committee of the Communist Party of India (Marxist) met in New Delhi on March 1 and 2, 2014 and has issued a statement.


The Polit Bureau of CPI(M) has issued a statement on the Interim Budget of West Bengal on 17th February, 2014.


This is the first time that the Central Committee of the Party has been held in Tripura.


The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) expresses its deep grief at the passing away of Shyamali Gupta, member of the Central Committee of the Party and President of the All India Democratic Women's Association till recently.

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Mars Mission.


Friday, September 27, 2013


Press Statement | 9th June 2013

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement:

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Modi Government.


Prakash Karat, General Secretary of Communist Party of India (Marxist) has sent a letter to the President of India regarding the statement issued by the Governor of West Bengal, Shri M. K. Narayanan.


The CPI(M) has disapproved and condemned the incident took place involving the Finance Minister of West Bengal, Amit Mitra on the occasion of the visit of the Chief Minister, Mamata Banerjee to the Planning Commission Office at Delhi on 9th April, 2013.


The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement:

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Rail Budget.

Communist Party of India (Marxist), Communist Party of India, All India Forward Bloc and Revolutionary Socialist Party have issued a statement congratulating the working class, employees and other sections of the working people who have made the two-day general strike on February 20 and 21 a magnificent success.


CPI(M) Polit Bureau released an official reply to the Election Commission regarding their complaint over the West Bengal Government's decision to transfer two top level police officers after the election process to by-elections for three assembly seats have set in motion and the model code of conduct has come into enforcement on 19th February, 2013.


The following is the Editorial appearing in the forthcoming issue of People's Democracy on 13th February, 2013, which explains the stand of the CPI(M) on the hanging of Mohd. Afzal Guru.

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on Justice Verma Committee Report on 24th January, 2013.

The Central Committee of the Communist Party of India (Marxist) held it's meeting in Kolkata from January 17 to 19, 2013 and has issued a statement on 19th January, 2013.

Date:  9 January 2013
The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement:


The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement by expressing deep sorrow at tragic death of gangrape victim.

Date: 22 December 2012
The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement.


The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement.

The Left Parties – Communist Party of India (Marxist), Communist Party of India, All India Forward Bloc and Revolutionary Socialist Party – have issued a statement on 29th November, 2012.

Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on 28th November, 2012.

Prakash Karat, General Secretary of the Communist Party of India (Marxist) and S. Sudhakar Reddy, General Secretary of the Communist Party of India has issued a statement.

Prakash Karat, General Secretary of Communist Party of India (Marxist) has issued a statement on 1st November, 2012.

Date: 18 August 2012

The Left parties appeal to all sections to support the demands of the sit-in:

The CPI(M) has for long been demanding the timely payment of minimum wages and regular price indexation under the Scheme and the All India Kisan Sabha had got an Order for payment of minimum wages and arrears from the Karnataka High Court, which the Central Government shamelessly opposed through its SLP in the Supreme Court.

Report on Current Developments

(Adopted at the Central Committee meeting held on June 09-10, 2012 at New Delhi)


The premeditated killing of an Indian fisherman and injuries to three others due to firing by a US naval ship in the Persian Gulf within UAE waters is a highly condemnable and reprehensible act.


The National Committee in Solidarity with Jaitapur Struggle met in New Delhi on July 18, 2012. It has issued the following statement:

The Central Committee of the Communist Party of India (Marxist) met in New Delhi on June 9-10, 2012 and has issued a statement.

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on historic win of party unit in Shimla on Shimla Municipal Corporation's direct election.]

The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) met in New Delhi on 6th May, 2012 and issued statement on some current affairs.

The Polit Bureau of the CPI (M) condemns the efforts of the Planning Commission to use fraudulent methods to deliberately underestimate the level of poverty in the country.


The Central Committee of the Communist Party of India (Marxist) met in New Delhi from March 17 to 19, 2012. It has issued the following statement:


On Union Budget
Date: 16 March 2012
Press Statement
The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the statement.

Date: 3 March 2012
The Commander of the US Pacific Command, Admiral Robert Willard had stated at a Congressional hearing that American Special forces assist teams are stationed in India along with Nepal, Bangladesh, Sri Lanka and the Maldives.


The massive response to the strike should serve as a warning to the government that the working people and their unions would not accept such indifference and neglect lying down and they will further intensify their struggle if their basic demands are not addressed.


Polit Bureau Member and State Secretary of CPI(M) Biman Basu at press meet on 14th February, 2012.

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau statement]

[The Central Committee of the Communist Party of India (Marxist) met in Kolkata from January 17 to 20, 2012.]

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau on Lokpal Bill]

Booklet issued on 6th December, 2011.

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on the cabinet decision to allow FDI in multibrand retail]

[Press Statement of Surjya Kanta Mishra on 11th November, 2011 at New Delhi.]

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau on Investigate Role of Chidambaram]

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Condemned the Price Rise of Petrol]

On 22nd August, 2011



Call From CPI(M) West Bengal State Committee

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on Ayodhya Judgement]

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on the outcome of the Obama visit]





[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on Union Budget]

[Communist Party of India (Marxist) Polit Bureau Statement on Lalgarh Incident]

Saradha Ponzi Scam




Saradha Money Used in 2011 Elections in West Bengal
Huge Sum Spent to Defeat Left Front


Investigations in Saradha Chit Fund scam has exposed that a huge sum from the fraudulent business was spent to ensure Trinamool Congress win in 2011 West Assembly elections. According to media reports, quoting investigation agency sources and depositions by some of the accused, at least Rs 130 crores was supplied to TMC before the elections. It has been also reported that TMC candidates received a part of this money for spending in the campaign.

2011 elections in the state was a desperate battle to oust Left Front government. It witnessed widest possible anti-Left unity. Apart from political parties and groups, a section of the intelligentsia participated in virulent campaign against CPI(M) and Left Front. The elections also saw unprecedented use of money power by the forces of so called 'change'.

CPI (M) alleged, even before the elections, that huge sum was distributed by TMC leaders in illegal way. That this money flow was related to chit funds was also highlighted by the party.

As CBI and ED delved into money trail of the biggest ever financial scam in the state, the political connection became evident. It has now come into daylight that crores of rupees were transferred to TMC coffer in cash. Evil nexus between TMC and Saradha group continued and developed after TMC came into power.

According to media reports quoting SFIO (Serious Fraud Investigation Organisation) investigation report, hundreads of crores of rupees were stashed in foreign accounts through hawala transactions. TMC leaders, including parliamentarians played active role in these illegal transactions.

An unprecedented scam of approximately 25 thousand crore of rupees or may be more than that, has pauperized nearly two million people of not just West Bengal but neighboring eastern states also. It had shaken the state political economic scenario two years back when the financial institution Saradha group of industries had been liquidated for not paying back the investors' money. The primary investigation had unearthed direct political association of Trinamool Congress with Saradha group of companies in terms of financial dealings by siphoning out thousands of crores of money. Despite protests and demands for CBI enquiry the state government had refused to hand-over the investigation to the CBI. The Supreme Court however had expressed its displeasure of how the Special Investigation Team (SIT) was functioning. In short, the whole scam in situations had developed as follows:

(i) Saradha Ponzi scam is considered as one of the biggest scams in recent times covering approximately more than 25 thousand crores of rupees.

(ii) The Saradha scam has ruined nearing 1.7 million Bengal homes that includes mostly people from lower income groups being politically motivated to invest in the company fund.

(iii) People of lower income group, poor, even camp dwellers, domestic helps are worst affected.

(iv) Saradha Chief Sudipta Sen confirmed before police to have connections with the Trinamool Congress leaders starting from party funding and election funding for Trinamool Congress.

(v) Sudipto Sen had named TMC MPs like Srinjay Basu and Kunal Ghosh in his letter to the CBI. He reported bought a painting of the Chief Minister paying a sum of more than 1 crore rupees.

(vi) Trinamool Rajyasabha MP Kunal Ghosh is now in jail for his involvement with the scam.

(vii) All neighboring states have already given CBI the charge of investigation, while the state government had refused to do so.

(viii) The Judiciary including Kolkata High Court and Supreme Court have repeatedly expressed their dissatisfaction over the investigation proceedings of SIT.

(ix) Despite opposition demand the government could not even sell the Saradha property to pay the money back to the investors. Instead the government had allocated a fund of just 500 crores by public money for repayment.

On 30 April 2013, Central Bureau of Investigation (CBI) started investigation into the scam in Assam at the request of the state government. It had been indicated by Chief Minister of Tripura that Tripura may also order CBI probe into Saradha chit fund scam if needed.

In West Bengal as the criminal investigation had not been initially handed over to CBI. In April, 2014 ED arrested the absconding wife, son and daughter-in-law of Sudipta Sen all of whom were directors in various companies of Saradha Group at some point. ED also questioned two TMC MPs Ahmad Hassan and Arpita Ghosh about their financial transactions with Saradha Group. ED alleged that West Bengal police had not cooperated with it and has created hurdles in its investigation.

In May 2014, Supreme Court transferred all investigations into 44 deposit mobilizing companies, including Saradha Group of Companies, suspected of running Ponzi schemes in the states of West Bengal, Odisha, Assam, Jharkhand and Tripura to CBI.


Saradha-CBI Timeline

12 May 2014

CBI constituted a SIT under a Joint Director (North East) to look into the Saradha fiasco. CBI will also look into the larger conspiracy angle in the scam.

04 Jun 2014

CBI registered 46 FIRs regarding Saradha chit fund scam.

16 Jun 2014

CBI for the first time pleaded for remand of Sudipto Sen and Kunal Ghosh and four others in Alipore court hearing Saradha scam.

04 Aug 2014

CBI raided at Saradha head office in Sector V of Salt Lake, Kolkata. Since 2nd August there had been regular raids and seizure at various Saradha office.

14 Aug 2014

CBI sources said that in the multi-crore-rupees chit fund scam, searches were on at 28 locations in Kolkata, Delhi, Guwahati and Odisha, including the residence of former Congress minister Matang Singh, among others,"

16 Aug 2014

CBI carried out raids at 56 places including premises of Pravat Tripathy, BJD MLA from Banki Odisha, Odisha Cricket Association Secretary Ashirbad Behera, owner of Suryaprabha newspaper Bikash Swain, ex-Congress youth leader Sambit Kuntia and in the offices of Artha Tatwa Group.

18 Aug 2014

The Enforcement Directorate (ED) questioned National Award winning filmmaker Aparna Sen and West Bengal Textiles Minister Shyamapada Mukherjee in connection with its money laundering probe in the multi-crore Saradha Ponzi scam.

19th Aug 2014

Debarata Sarkar an executive committee member of the East Bengal Club arrested over alleged involvement in the Saradha chit fund scam He is accused of bid to 'establish nexus between SEBI officers and Saradha CMD'.

21 Aug 2014

The chit fund scam probe was gathering steam with a large number of politicians, businessmen and government officials from Odisha, West Bengal and Assam under the scanner as CBI expands probe in chit fund scam.

24 Aug 2014

CBI zeroes in on big fish: Ex-RBI manager, SEBI men, ROC officer as in 2009, 140 companies of Saradha Group were registered with the ROC, Kolkata in a span of four days.

26 Aug 2014

The Enforcement Directorate (ED) grilled Trinamool Congress MP Ahmed Hassan Imran for nearly seven hours in connection with its money laundering probe in the Saradha Ponzi scam. Imran was the fourth MP, after Kunal Ghosh, Mithun Chakraborty and Satabdi Roy —from the ruling party in West Bengal to be questioned in the scam.

28 Aug 2014

CBI carried out raids at seven locations in Kolkata, 12 places in Guwahati, two places in Assam and one in Mumbai investigating Saradha scam. Those raided include former Assam minister and MLA Hemant B Sharma, another MLA Anjan Dutta, former IPS officer Shankar Baruah, singer Sadanand Gogoi and others. In Kolkata, West Bengal Bapi Karim - former PA to Bengal MiC Madan Mitra, businessmen Sandhir and Sajjan Agarwal and IPS officer Deben Biswas was raided.

30 Aug 2014

The CBI continued to raid various locations in connection with the Saradha Ponzi scam. Besides raiding the house of Manoranjana Sinh, ex-wife of former Union minister Matang Sinh, CBI officials took popular singer Sadananda Gogoi to Kolkata for interrogation.

9 Sep 2014

The CBI arrested senior TMC leader Rajat Majumdar in connection with the multi-crore Saradha Ponzi scam. He is a former IPS officer who retired as a DG of state armed police. He is the first TMC leader to be arrested by the CBI in connection with the ponzi scam.

10 Sep 2014

Srinjoy Basu, Trinamool MP of Rajya Sabha summoned and interrogated by CBI.


The Road Ahead

As it has been claimed by the CPI (M) repeatedly, the progress of CBI and ED's investigation have proved the nexus between the Saradha group and the ruling party to some extent. In fact, knocking at Chief Minister Mamata Banerjee's door is not a distant possibility now. Her name came surfacing in Saradha Ponzi scam in regular manner starting from the sale of her painting to IRCTC-Saradha joint scheme during her term in Rail ministry. Her claim of 'not knowing' the name of Saradha met a dead-end with that development in the investigation. Her government was against the CBI probe into the scam from the very beginning. Now one can easily make out the intentions those governed such opposition. The opposition parties in West Bengal has claimed that in Delo, North Bengal there was a meeting held with Saradha CMD where the CM was present. As the CBI and ED moves forth in the investigation this claim might pop-up being a fact. With a number of TMC MP summoned and held behind the bars, with the lists of names of TMC leaders allegedly connected with the Saradha Ponzi scam including the names of its general secretary Mukul Ray and its MIC Madan Mitra, the name of the TMC supremo might make it to the headlines any day.

But as for now, it can be said that her model of advertisement branded with 'Sototar Protik' (Icon of Honesty) has met its doom. People of West Bengal have already branded their CM with 'Saradha'rProtik' (Icon of Saradha). Only time and the intentions of the central government would make it clear if the real fraudsters behind the Saradha Ponzi scam get sentence or not.

That the TMC government was born with the help of fraudulent money also created the fertile ground of lumpen capital.

The whole state now awaits the CBI and the judiciary to fix the thugs with the charges of forgery and corruption. Till then, the people who lost their life savings in Saradha Ponzi will keep on joining in protests and rallies organized by the lefts. Slogans of rejection will keep on haunting the CM and her fraud agency called the Trinamool Congress until and after justice is meted to.


11th September 2014


: Current Affairs

Declaration of Central Trade Unions'
Convention in New Delhi on 15th September


Following declaration adopted by the National Convention Of Workers 15TH September 2014, New Delhi.

"This National Convention of Workers being held under the banner of joint platform of all the Central Trade Unions of the country along with independent national federations/organizations from all the sectors and service establishments expresses deep concern at the unilateral move to amend the labour laws by a number of state governments and by the Central Govt. Most of the amendments sought to be done will have serious negative impact on the working conditions including trade union rights of the workers and the employees. It is unfortunate that in spite of the assurance given by the Labour Minister that Central Trade Unions will be consulted, these amendments in labour laws are being pushed through without any consultations with them.

The amendments passed by Rajasthan Assembly on 31st July, 2014 in Industrial Disputes Act, Factories Act, Contract Labour (Regulation & Abolition) Act and Apprenticeship Act will make hire and fire much easier for the employers and will result in rampant casualisation of employment. Liberalising the provisions of Factories Act will imperil the safety at work place in small and medium scale enterprises and will push majority of factories out of its coverage. Similarly raising the threshold employment ceiling of 20 to 50 workers for registration of contractors will enable the principal employer and contractor to become unaccountable for service conditions of the workers in a large number of enterprises. It is unfortunate that the Govt. being model employer deploys the largest number of contract workers and thereby depriving them of the security of job, wage and social security benefits.

The Amendment Bills already introduced in Parliament by the Central Govt on Factories Act, Labour Laws (Exemption from Furnishing Returns and Maintaining Registers for certain Establishments) Act and Apprentices Act are also designed to bring about such changes which will adversely affect the service conditions of the workers throwing overwhelming majority of them out of the coverage of all basic labour laws. The Factories Act Amendment Bill introduced in Lok Sabha on 7th August 2014 further liberalises the coverage of factories under the Act as amendment proposed in definition of factories (Section 2m) authorizes States to fix number of workers for coverage under the Act. This will legitimize amendment already passed by Rajasthan Assembly on 31st July, 2014. The Central Govt. is also considering amendments in Minimum Wages Act and Industrial Disputes Act. The amendment to Apprenticeship Act will pave the way for replacement of the contract/casual/ temporary workers and even regular workers by comparatively low paid apprentices. Moreover, these amendments will straightway empower and encourage the state governments to bring about pro-employer changes in labour laws as per the Rajasthan model. The process of amendments in labour laws is also aimed to do away with tripartite consultation mechanism.

In essence, all moves of amendments in the labour laws, both by the central government and by the Govt. in Rajasthan are aimed at empowering the employers to retrench/layoff workers or declare closure/shut down at will and also resort to mass scale contractorisation. These are also designed to push out more than seventy per cent of the industrial and service establishments in the country and their workers out of the purview of almost all labour laws, thereby allowing the employers a free hand to further squeeze and exploit the workers.

The Convention also expressed dismay over the Govt's total inaction in implementing the consensus recommendations of 43rd, 44th and 45th Indian Labour Conferences on formulation of minimum wages, same wage and benefits as regular workers for the contract workers and granting status of workers with attendant benefits to those employed in various central govt schemes. It is also noted with utter dismay that the present government is also continuing to ignore the ten point demands of entire trade union movement pertaining to concrete action to be taken for containing price-rise and aggravating unemployment situation, for strict implementation of labour laws, halting mass scale unlawful contractorisation, ensuring minimum wages for all of not less than Rs 15000 per month and universal social security benefits and pension for all including the unorganized sector workers etc. the demands also include compulsory registration of Trade Unions within 45 days and ratification of ILO Conventions 87 and 98.

The National Convention also denounced the retrograde move of the Govt in hiking/allowing FDI in Defence sector, Insurance, Railways and other sectors and also its aggressive move for disinvestment in PSUs including financial sector which will be detrimental to the interests of the national economy, national security as well as mass of the common people.

The Convention demands upon the Rajasthan Govt. to reverse the enacted amendments to' the labour laws and urge upon the Central Govt. to desist from its unilateral move to amend labour laws and consult and honour the views of Central Trade Unions on the issue. The Convention also demands immediate steps to implement the consensus recommendations of successive Indian Labour Conferences and also positive response to long pending ten-point demands of the entire trade union movement of the country. The Convention urges the Central Govt to desist from mindless drive to liberalise FDI in defence, insurance, Railways etc and instead reverse the direction of the ongoing economic policy regime which has landed the entire national economy in distress and decline affecting the working people most.

The Convention calls upon all the trade unions, federations across the sector to widen and consolidate the unity at the grass-root level and prepare for countrywide united movement to halt and resist the brazen anti-worker and anti-people policles of the Govt and in preparation to the same undertakes unanimously the following programmes:

1.    State level joint conventions during September-October; wherever possible initiative may be taken to hold district-level and industry-level joint conventions

2.    National Protest Day 5.12.2014 through massive joint demonstration in all state capitals. At Delhi Joint demonstration of workers from the neighbouring states will be held.

The National Convention calls upon the trade unions and working people irrespective of affiliations to unite and make the above programme a massive success paving way for countrywide united struggle to resist the onslaught on the life and livelihood of working people through out the country.
15th September 2014



:: Secretary's Desk























বাংলা এখন 3g no 3 x 4g no4x 5g no 5x
PHOTO GALLERIES

ভোটের ময়দানে জোর লড়াইয়ের পরেও হার দীপেন্দু বিশ্বাসের
বসিরহাট: ভোটের ময়দান বসিরহাট দক্ষিণ। দুই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী দীপেন্দু বিশ্বাস এবং শমীক ভট্টাচার্য। টানটান লড়াই। উত্তেজনার পারদ চরমে। কখনও এগিয়ে যাওয়া। কখনও পিছিয়ে পড়া। ফাউল প্লের অভিযোগ। রি-রোলিং। ম্যাচ কমিশনার সুনীল গুপ্তার হস্তক্ষেপ। শেষ হাসি অবশ্য শমীক ভট্টাচার্যের। বাংলার শেষ সফল স্ট্রাইকারের পা থেকে বল কেড়ে তৃণমূলের তেকাঠিতে বল জড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী। জয় এল ১৫৮৬ ভোটে।
প্রথম রাউন্ডের গণনার শেষে ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস এগিয়ে যান ২ হাজার ২৮৫ ভোটে।
এরপর শুরু মুহুর্মুহু আক্রমণ। দ্বিতীয় আর তৃতীয় গোলটি অনায়াসে করে ফেলেন দেশের এই খ্যাতনামা ফুটবলার।
লিড পৌছে যায় ৭ হাজার ৫১৪।
তৃণমূলের একের পর এক আক্রমণে তখন রীতিমতো দিশেহারা গোটা বিজেপি শিবির। একসময় দেখা যায় শুধুমাত্র একজনকে ওপরে রেখে গোটা টিম নেমে এসেছে ডিফেন্সে। এই সুযোগে আক্রমণে আরও ঝাঁঝ বাড়ায় টিম তৃণমূল ।
চতুর্থ রাউন্ডের শেষে এগিয়ে থাকার ব্যবধান পৌছে যায় প্রায় ১১ হাজারে।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে ফের দর্শনীয় গোল বাঙালি স্ট্রাইকারের।
দীপেন্দুর মাথা ছুঁয়ে বল জালে জড়াতেই একধাক্কায় লিড পৌছে যায় ১৭ হাজার ৮০।
হাফটাইমে কিছুটা কৌশল বদল করে বিজেপি। এতক্ষণ ছিল মূলত গ্রামবাংলার ভোট। ষষ্ঠ রাউন্ড থেকে শহরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে আস্তে আস্তে পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করে বিজেপি।
টিম তৃণমূলের স্কোর ১৭ থেকে কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজারে।
বাড়তি উত্সাহ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে গেরুয়া শিবির।
অষ্টম রাউন্ডে তৃণমূলের ১৪ হাজারের মার্জিন নেমে দাঁড়ায় ৭ হাজার ২৩১।
বিজেপির এই অলআউট আক্রমণে কিছুটা যেন খেই হারিয়ে ফেলেন সদ্য রাজনীতিতে পা রাখা দীপেন্দু।
নবম রাউন্ডের শেষে অনেকটাই মার্জিন কমিয়ে ফেলেন পোড় খাওয়া রাজনীতিক শমীক ভট্টাচার্য। লিড কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৭৩।
ততক্ষণে তৃণমূল টিম মরিয়াভাবে ডিফেন্স করার চেষ্টা করলেও জয়ের স্বাদ পেয়ে গিয়েছে বিজেপি।
দশম রাউন্ডের শেষে দুটি টিমের ফারাক  কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২৩।
শেষ রাউন্ডের গণনা শুরু হতেই মাঠের উত্তেজনা চরমে। ব্যালট বক্সকে কেন্দ্র করে ম্যাচ রেফারির কাছে ফাউলের আবেদন জানায় তৃণমূল । তাদের দাবি,  ম্যাচ বাতিল করে পুনর্গণনা করতে হবে। তৃণমূল শিবিরের এই দাবি না মানলেও হিসেব নিকেশ ঠিক আছে কি না তা একবার যাচাই করার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। উত্তেজনা চরমে ওঠে। মাঠের মধ্যেই আধা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে রীতিমতো বচসায় জড়িয়ে পড়েন দুদলের সমর্থকরা।
শেষ পর্যন্ত ১৫৮৬ ভোটে জয় ছিনিয়ে নেয় বিজেপি টিম।